এশিয়ার সেরা উদীয়মান খেলোয়াড় বাংলাদেশের আরশাদ

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ এপ্রিল ২০১৮ | ৭ বৈশাখ ১৪২৫

এশিয়ার সেরা উদীয়মান খেলোয়াড় বাংলাদেশের আরশাদ

তোফায়েল আহমেদ, মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়াম থেকে ৯:২৯ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২২, ২০১৭

print
এশিয়ার সেরা উদীয়মান খেলোয়াড় বাংলাদেশের আরশাদ

গেলো মার্চে ওয়ার্ল্ড হকি লিগে জাতীয় দলে অভিষেক আরশাদ হোসেনের। নিজের প্রথম আসরেই সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছিলেন নারায়ণগঞ্জের ১৬ বছরের ছেলেটি। ঘরের মাঠে ৩২ বছর পর যখন আয়োজিত হলো এশিয়া কাপ, সেই আসরটি আরশাদের জন্য ছিল দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক আসর। নিজের প্রথম আসরের মতোই দেশের হয়ে ঔজ্জ্বল্য ছড়িয়েছেন তিনি ঢাকার এশিয়া কাপেও। আর তাই এশিয়ার বিশ্বকাপের এবারের আসরের সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কারও উঠেছে আরশাদের হাতে।

 

এশিয়া কাপের মতো আসরে সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কার! ভারত, পাকিস্তান, দক্ষিণ কোরিয়াসহ আরো বড় বড় দেশের প্রতিশ্রুতিশীলদের ছাড়িয়ে! আরশাদ উঠলেন তাই ফাইনালের পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে। টুনামেন্টের সেরা, সর্বোচ্চ গোলদাতাদের সঙ্গে উচ্চারিত হলো তার নামও। মঞ্চ থেকে নেমে কয়েক মিনিট পরই তিনি কথা বললেন পরিবর্তন ডটকমের সাথে। জানালেন নিজের অনুভূতি। আর তা জানাতে গিয়ে সবার আগে টিমমেটদের ধন্যবাদ জানালেন আরশাদ, ‘সেরা উদীয়মান হতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। সর্বপ্রথম আমি আমার টিমমেটদের ধন্যবাদ জানাই। তারা সবাই আমাকে সহযোগিতা করেছে বলে আমি ভালো খেলতে পেরেছি। জাতীয় দলে কোচ হারুন ভাই (মাহবুব হারুন), আলমগীর স্যার (আমলগীর আলম) অনেক সাহায্য করেছেন।’

ওখানেই থামেন না আরশাদ। বিকেএসপির দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র এই আনন্দের সময়ে ভুলে যাননি তার প্রিয় প্রতিষ্ঠানকে, ‘বিকেএসপিকেও ধন্যবাদ। তারা আমার জন্য অনেক কিছু করছে। বিকেএসপিতে ভর্তি হতে না পারলে আমি এতদূর আসতে পারতাম। কাওসার স্যার (কাওসার আলি), রাজু স্যারকেও (জাহিদ হোসেন রাজু) এজন্য অনেক ধন্যবাদ।’

পর পর দুটি আন্তর্জাতিক আসরে সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতা চাট্টিখানি কথা নয়। আরশাদের নিজের কাছেই নাকি নিজের এই অর্জন অবিশ্বাস্য লাগছে!‍ ‘অকল্পনীয় লাগছে আমার কাছে। এবার আসলে আমি আশা করিনি। সবাই বলছিল, তুমি অনেক ভালো খেলছ। আগেরবার তো আমি পেয়েছি। তাই এবারও যখন শুনলান আমিই পাব, তখন আসলে অবাকই হয়েছিলাম। ভালো লাগার কথা বলে বুঝাতে পারবো না।’

তবে আরশাদ আরো ভালো খেলতে না পেরে যেন অখুশি। সন্তুষ্ট নন তিনি গোল করতে না পেরেও, ‘আমি আরো ভালো খেলতে চেয়েছিলাম। যতোটুকু খেলেছি তাতে আমি খুশি। গোল করতে পারিনি। গোল পেলে আরো বেশি খুশি হতাম। তবে আসলে আমার সেরকম সুযোগ আসেনি। সুযোগ পেলে গোল করে ফেলতাম।’

অনেক বছর পর এশিয়া কাপে ষষ্ঠ হয়েছে বাংলাদেশ। তাও সেটি আরশাদের প্রথম এশিয়া কাপে। তাই ব্যক্তি অর্জন হিসেব করলে এই টিনেজারের এই টুর্নামেন্টটা অপূর্ণতার মাঝে থাকার কথা নয় ঠিকই।

টিএআর/ক্যাট

 
.




আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad