শিশুর খাবার-দাবার

ঢাকা, সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | ৬ ফাল্গুন ১৪২৪

শিশুর খাবার-দাবার

পরিবর্তন ডেস্ক ৯:০২ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ১১, ২০১৭

print
শিশুর খাবার-দাবার

শিশুর ৫ মাস পূর্ণ হলেই মায়ের দুধের পাশাপাশি স্বাভাবিক খাবার খাওয়ানোর অভ্যাস গড়ে তোলা হয়। ৫ থেকে ১২ মাস পর্যন্ত সময়ের খাদ্যাভ্যাসকে ‘কমপ্লিমেন্টারি ফিডিং’ বলা হয়। অর্থাৎ শিশুকে মাতৃদুগ্ধের খাদ্যাভ্যাস থেকে মুক্ত করা। সাধারণত শিশু ছয় মাস থেকে বায়োলজিক্যাল অন্য খাবার খাওয়ার জন্য তৈরি হয়ে যায়।

কোন খাবার দেবেন: সাধারণত কমপ্লিমেন্টারি ফিডিং দু’রকমের হয়। ১. বাড়িতে তৈরি খাবার এবং ২. বাজারচলতি প্রক্রিয়াজাত খাবার। বাড়ির খাবারের ভ্যারাইটি বেশি এবং ফ্রেশ রান্না করা খাবার বাচ্চার স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। অন্যদিকে বাজারে বিক্রি করা টিনফুড তাড়াতাড়ি তৈরি হয়ে যায়। শিশুকে অনেকক্ষণ বাড়ির বাইরে থাকতে হলে এই ধরনের খাবারই ক্ষিধার চাহিদা অনেকটা মেটায়।

-৯ মাস বয়সে বাড়ির খাবার: এই সময় শিশুকে চাল ও ডালের তৈরি পাতলা খিচুড়ি দেওয়া যায়। ডালিয়ার খিচুড়িও দেওয়া যাবে। খিচুড়িতে আলু, কুমড়ো, গাজর পুরোপুরি চটকে দিতে পারেন কিংবা এইসব সবজি সিদ্ধ করে চটকে খাওয়ানো যায়। ডিমের কুসুম খাওয়ানো যাবে। ফলের মধ্যে সবেদা দেওয়া যাবে। যদি আপেল সহ্য করতে পারে তাহলে আপেল সিদ্ধ করে দিতে হবে। রুটির মোটা অংশ ছিঁড়ে গরম সবজির সুপে অথবা ডালে ডুবিয়ে নরম করে দিন। এক বছরের আগে বাজারচলতি দুধ না দেওয়াই ভালো।

-১২ মাসের মেন্যু লিস্ট: শিশুর স্বাদ, রুচিবোধ ৯ মাস থেকেই ধীরে ধীরে তৈরি হয়। এই সময় চাল-ডালের অথবা ডালিয়ার খিচুড়ি দিতে পারেন। রুটির মোটা অংশের সঙ্গে পাউরুটি হালকা করে সেঁকে সবজির স্যুপে কিংবা ডালে ভিজিয়ে খাওয়াতে পারেন। সবজি সিদ্ধ করে চটকে অথবা তার নির্যাসের স্যুপও দিতে পারেন। টক জাতীয় ফল বাদে যে কোনো সহজপাচ্য ফল চটকে খাওয়ানো যায়।

ওজন বেশি-কমের চিন্তা: শিশুকে সব সময় ব্যালান্স ডায়েট দিতে হবে। ওজন কম থাকলে তার সঠিক কারণ চিহ্নিত করতে হবে। যদি অপুষ্টির কারণে ওজন কম থাকে তাহলে খাবারের উপর নজর দিন। তবে যদি কোনো নির্দিষ্ট রোগের কারণে শিশুর ওজন কম হয় তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন।

বিএইচ/

 
.

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad