র‌্যাগিংয়ের শিকার ইবি ছাত্রী, প্রক্টরের কাছে অভিযোগ
Back to Top

ঢাকা, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২০ | ২৪ আষাঢ় ১৪২৭

র‌্যাগিংয়ের শিকার ইবি ছাত্রী, প্রক্টরের কাছে অভিযোগ

ইবি প্রতিনিধি ৮:৩৭ অপরাহ্ণ, মার্চ ০৩, ২০২০

র‌্যাগিংয়ের শিকার ইবি ছাত্রী, প্রক্টরের কাছে অভিযোগ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজ কল্যাণ বিভাগের প্রথম বর্ষের এক ছাত্রী র‌্যাগিংয়ের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত সোমবার ক্যাম্পাসের ডায়না চত্বর ও অনুষদ ভবনের পাশের এলাকায় দফায় দফায় র‌্যাগিংয়ের শিকার হলে অসুস্থ হয়ে পড়ে ওই ছাত্রী।

মঙ্গলবার এ ঘটনায় বিভাগের সভাপতির কাছে অভিযুক্তদের বিচার দাবি করে লিখিত অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী ছাত্রী।

অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, গত সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও ভূমি ব্যবস্থাপনা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র তুষারের সঙ্গে ক্যাম্পাসের ডায়না চত্বরে হাটছিল ভুক্তভোগী ছাত্রী। এসময় একই বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শারমিন সাথী, অনন্যা নারগিস, তাজমীন নাহার, জান্নত-ই-কাওনাইন মাকনুন তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলে। পরে তুষার ওই ছাত্রীকে নিয়ে অনুষদ ভবনের সামনে আসলে ফের ওই ছাত্রীকে গালি-গালাজ করে। একই সাথে ওই ছাত্রীকে মারধর কারতে উদ্যত হয় তারা।

ঘটনার পর ওই ছাত্রী অতঙ্কে অসুস্থ হয়ে বমি করে। এসময় তাকে কুষ্টিয়া শহরে তার মেসে পাঠিয়ে দেয় তুষার। মঙ্গলবার সমাজ কল্যাণ বিভাগের সভাপতির কাছে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ছাত্রী। ঘটনার সময় অভিযুক্তরা তাকে বলে, “তুই ক্যামনে ক্যাম্পাসে পড়িস দেখে নেব। সমাজ কর্ম বিভাগ আমাদের কিছুই করতে পারবে না বলে অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করেছে ওই ছাত্রী।’ এছাড়াও অভিযুক্ত চার ছাত্রীর বিরুদ্ধে নিজ বিভাগের নবীন শিক্ষার্থীদের র‌্যাগ দেয়ার অভিযোগ করেছে তাদের সহপঠীরা।

এবিষয়ে জানতে চাইলে তুষার বলেন,‘আমার অভিযুক্তদের সাথে কোন শত্রুতা নাই। তারা কেন এমন উগ্র আচরণ করেছে আমি জানি না। আমি বাধা দিলেও আমাকে উপেক্ষা করে তারা এমন আচরণ করে।’

ভুক্তভোগী ছাত্রী বলেন,‘তারা আমাকে মানসিক নির্যাতন করেছে। আমি অভিযোগ করেছি। এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’

অভিযুক্তদের মধ্যে জান্নত-ই-কাওনাইন মাকনুন বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছু বলব না।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য এবং সমাজ কল্যাণ বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান বলেন, ‘আমি র‌্যাগিংয়ের বিষয়ে একটি অভিযোগপত্র পেয়েছি এবং তা প্রক্টরের কাছে হস্তান্তর করেছি। প্রক্টর মহোদয় বিষয়টি দেখছেন। সব কিছু যাচাই-বাছাই করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্মণ বলেন, ‘সমাজ কল্যাণ বিভাগের সভাপতির কাছ থেকে অভিযোগ পত্র পেয়েছি। দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন পেশ করবো।’

আইআর/পিএসএস

 

: আরও পড়ুন

আরও