মারধরের ঘটনায় ছাত্রলীগের দুই কর্মী রাবি থেকে বহিষ্কার
Back to Top

ঢাকা, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২০ | ২০ আষাঢ় ১৪২৭

মারধরের ঘটনায় ছাত্রলীগের দুই কর্মী রাবি থেকে বহিষ্কার

রাবি প্রতিনিধি ২:২৭ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৭, ২০১৯

মারধরের ঘটনায় ছাত্রলীগের দুই কর্মী রাবি থেকে বহিষ্কার

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ফাইন্যান্স বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সোহরাব মিয়াকে ছাত্রলীগের দুই কর্মীর মারধরের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

রোববার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে নিপীড়ন বিরোধী ছাত্র-শিক্ষক ঐক্যের ব্যানারে মানব বন্ধন করেন তারা।

শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত দুই শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বহিষ্কৃতরা হলেন, ইসলামিক স্ট্যাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিবুল ইসলাম ও বাংলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী কবির নাহিদ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর প্রফেসর ড. লুৎফর রহমান।

মানববন্ধনে আরবী বিভাগের অধ্যাপক ড. ইফতিখারুল আলম মাসউদ এর সঞ্চলনায় বক্তব্য দেন সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক আক্তার হোসেন মজুমদার, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব, উদ্ভিদ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ, আইইআর বিভাগের অধ্যাপক আক্তার বানু আল্পনা প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পেশি শক্তির আস্তানা গড়ে উঠেছে। গুন্ডামী শিক্ষাতে ছাপিয়ে উঠেছে। বিভিন্ন সময় ছাত্রদের মানসিক ও দৈহিক নিপীড়নের মত ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেই চলেছে। বৈধ আবাসিক শিক্ষার্থীকে বের করে ছাত্র নামধারী দুর্বৃত্তরা হলে বসবাস করছে। অছাত্র বখাটে কর্তৃক ছাত্রী নিগ্রহ ঘটেই চলেছে। কিন্তু প্রশাসন নিরাপত্তার বিষয়ে তেমন কোন পদক্ষেপ নেয়নি।

এ সময় তারা নিপীড়ক শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী বহিষ্কার, দায়িত্বে অবহেলার জন্য হল প্রশাসনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, কোন নির্যাতন হলে প্রশাসন মামলার তদারকি, ব্যয়ভার বহন করা, হলের সব জায়গায় সিসিটিভির ব্যবস্থা, বৈধ শিক্ষার্থীদের সিট দেওয়া, কোন সংগঠনের হস্তক্ষেপ না করা ইত্যাদি দাবি জানান।

এদিকে শিক্ষার্থীকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় বেলা ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত ঘন্টাব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভবন ঘেরাও করে শিক্ষার্থীরা। এসময় হামলায় জড়িতদের সাত দিনের মধ্যে গ্রেপ্তার ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কার

করার আল্টিমেটাম দিয়ে অবস্থান কর্মসূচি শেষ করেন।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১২ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হলের তৃতীয় ব্লকের ২৫৪ নম্বর কক্ষে সোহরাবকে নিয়ে যান। সেখানে ছাত্রলীগ নেতা রাকিবুল ইসলাম ওরফে আসিফ ও হুমায়ুন কবির নাহিদ দুইজন মিলে রড দিয়ে সোহরাবের মাথা ও হাতে পিটায়। পরে তার বন্ধুরা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রে পরে রামেকে ভর্তি করে।

এমকে

 

: আরও পড়ুন

আরও