বেরোবির ক্যাফেটেরিয়া ভাঙা চেয়ার-টেবিলের গোডাউন
Back to Top

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২০ | ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

বেরোবির ক্যাফেটেরিয়া ভাঙা চেয়ার-টেবিলের গোডাউন

মোবাশ্বের আহমেদ, বেরোবি ৩:৫৮ অপরাহ্ণ, মে ০৮, ২০১৯

বেরোবির ক্যাফেটেরিয়া ভাঙা চেয়ার-টেবিলের গোডাউন

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ক্যাফেটেরিয়া যে উদ্দেশ্যে নির্মাণ করা হয়েছিল তা বাস্তবায়ন করা না হলেও ক্যাফেটেরিয়াটি এখন ভাঙা ও পরিত্যক্ত চেয়ার-টেবিলের গোডাউন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

ফলে শিক্ষার্থীদের প্রাণের ক্যাফেটেরিয়ার এই অবস্থায় ক্ষোভ বিরাজ করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারিদের মধ্যে।

সরেজমিনে ক্যাফেটেরিয়া ভবনে দেখা যায়, ভবনটির সামনে-পিছনে ভাঙা চেয়ার-টেবিলের স্তূপ জমে আছে। ভেতরের নিচতলার একটি কক্ষের পুরোটা শিক্ষার্থীদের ক্লাসে বসার চেয়ার-টেবিল দিয়ে ভর্তি হয়ে আছে। এতে করে ওই কক্ষে শিক্ষার্থীদের বসার মতো কোনো জায়গা নেই। ফলে নিচতলার অপর একটি কক্ষে সবাইকে বসতে হয়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, মাঝে মাঝে বসার কোনো জায়গা পাওয়া যায় না। অথচ একটি কক্ষ চেয়ার-টেবিলের গুদাম বানিয়ে রাখা হয়েছে।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়া ভবনের নির্মাণ কাজ ২০১৩ সালে সম্পন্ন হলেও এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় ২০১৭ সালের ১ নভেম্বর। ক্যাফেটেরিয়াটি উদ্বোধনের প্রায় দেড় বছর পার হলেও আজও শিক্ষার্থীদের জন্য সুলভ মূল্যে খাবারের ব্যবস্থা করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। এমনকি মাঝে মাঝে খাবার পানিও দুর্লভ হয়ে ওঠে।

অভিযোগ রয়েছে, ১০২১ স্কয়ার মিটার বিশিষ্ট ক্যাফেটেরিয়াটি যে উদ্দেশ্যে নির্মাণ করা হয়েছে তার একটিও বাস্তবায়ন করা হয়নি এখনও। ১০ হাজার শিক্ষার্থীর আন্দোলনের ফসল ক্যাফেটেরিয়াটি বর্তমানে নামমাত্র খোলা রয়েছে। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম করে চালু হওয়ার পর থেকে শুধু চা-বিস্কুট ছাড়া কিছুই পাওয়া যায় না।

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, ক্যাফেটেরিয়া হল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রাণের জায়গা। আর এই ক্যাফেটেরিয়ায় এসে মাঝে মাঝে বসার জায়গাও মেলে না। কর্তৃপক্ষ ক্যাফেটেরিয়াকে গোডাউন ঘরে পরিণত করছে যা আমরা কখনো কল্পনাও করিনি। গোডাউন ঘর পরিষ্কার করে আমরা শিগগিরই ক্যাফেটেরিয়াকে পূর্ণাঙ্গরুপে চালু করার দাবি জানাই।

ক্যাফেটেরিয়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী রেজিস্ট্রার হোসেন আল মুনতাসির পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষার সময় একটি কমিটি গঠন করে চেয়ারগুলো এখানে আনা হয়েছে। পরে তখন থেকেই এগুলো আর সরানো হয়নি।’

আমি একাধিকবার স্যারদের সাথে এ বিষয়ে কথা বলার পরও এখনো কোনো কাজ হয়নি বলে তিনি জানান।

এইচআর

 

: আরও পড়ুন

আরও