শহীদ মিনারে বিশৃঙ্খলাতেও সেই ছাত্রলীগ নেতা ইউনুস

ঢাকা, শনিবার, ২৩ জুন ২০১৮ | ৯ আষাঢ় ১৪২৫

শহীদ মিনারে বিশৃঙ্খলাতেও সেই ছাত্রলীগ নেতা ইউনুস

ঢাবি প্রতিনিধি ১১:৫৭ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২১, ২০১৮

print
শহীদ মিনারে বিশৃঙ্খলাতেও সেই ছাত্রলীগ নেতা ইউনুস

বারবার অপকর্মের দায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার হওয়া ছাত্রলীগ নেতা ইউনুস এবার সংঘর্ষে জাড়িয়ে পড়েন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারেও। বুধবার সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের শহীদ বেদীতে ফুল দিতে গিয়ে সংঘর্ষে জড়ান তিনি।

ইউনুস বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হল শাখা ছাত্রলীগের সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক এবং হল শাখার সভাপতি ফকির রাসেল আহমেদের অনুসারী।

এর আগেও ছাত্রলীগের এই নেতা নিজ হলের প্রাধ্যক্ষের কক্ষ ভাঙচুর করে। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদেরকে মারধর করার অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে।

এসব কারণে বিশ্ববিদ্যালয় এবং ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করলেও পরবর্তীতে বহিষ্কারাদেশ তুলে ছাত্রলীগের হল কমিটিতে তাকে পদায়ন করে হল শাখা ছাত্রলীগ।

শহীদ মিনারের এই সংঘর্ষের ঘটনায় একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সকালে ভাষা শহীদদের সম্মান জানানোর জন্য মিনারে ফুল দিতে যান ঢাবি শাখার বিভিন্ন হল ছাত্রলীগের কর্মীরা। সেখানে বিজয় একাত্তর হল ছাত্রলীগ ও উপস্থিত ছিল।

এসময় বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ফুল দিতে গেলে তাদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় ছাত্রলীগের এই নেতার।

কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ইউনুস ছাত্রলীগের কর্মীদের নিয়ে সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালায়। এসময় আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই এদিক-সেদিক ছোটছুটি করতে থাকে।

এ ঘটনায় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে আসা কয়েকজন আহত হন। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন।

জানতে চাইলে ছাত্রলীগ নেতা ইউনুস বলেন, শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানানোর সময় আমাদের সামনে মহসীন হল আর পেছনে জসিমউদ্‌দীন হল ছিল। পরে দেখি যে একটা জামেলা হচ্ছে। এটা দেখে আমি ঠেকাতে যাই।

বিজয় একাত্তর হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ফকির রাসেল আহমেদ বলেন, রামপুরা যুবলীগ এবং লালবাগ আওয়ামী লীগের মধ্যে মারামারি হয়। আমাদের একজন কর্মী আটকে পড়লে তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে সে জড়িয়ে পড়ে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘আমি বিষয়টি জানি না। তবে প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেব।’

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ বলেন, বেনামী সংগঠনের মধ্যে মারামারি হয়েছে। আমি সেখানে ছিলাম। ছাত্রলীগের মধ্যে কোনো মারামারির ঘটনা ঘটেনি।

ওএইচ/এমএসআই

 
.




আলোচিত সংবাদ