মুক্তিযোদ্ধার নাতি-পুতির কোটা বাতিলের দাবি (ভিডিও)

ঢাকা, শনিবার, ২৩ জুন ২০১৮ | ৯ আষাঢ় ১৪২৫

মুক্তিযোদ্ধার নাতি-পুতির কোটা বাতিলের দাবি (ভিডিও)

ঢাবি প্রতিনিধি ৩:৪৮ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৮

print

মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-পুতির কোটা বাতিলের দাবি জানিয়েছে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। আজ শনিবার রাজধানীর শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ-এর ব্যানারে আয়োজিত ‘কোটা প্রথার সংস্কার চাই’ শীর্ষক মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা মুক্তিযোদ্ধাদের নাতিপুতির কোটা বাতিল করাসহ কোটা সংষ্কার করে সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসার আহ্বান জানান।

তবে একই সময় পাশেই কোটা সংরক্ষণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটি।

শনিবার সকাল ১১টায় শাহবাগ জাদুঘরের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হওয়ার ঘোষণা থাকলেও পুলিশের বাধায় তা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় পুলিশের সাথে তর্কাতর্কি হয় কোটা সংস্কারের দাবিতে  আন্দোলনকারীদের সাথে। এক পর্যায়ে আন্দোলনকারীরা মিছিল করতে করতে রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান করতে আসলে সেখানে পূর্বে  থেকে অবস্থান করা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটির মানববন্ধন চলে। সেখান থেকে দাবি করা হয়, জামায়াত-শিবির রাজাকারেরা কোটার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। এক পর্যায়ে পুলিশের হস্তক্ষেপে তারা সেখান থেকে সরে যায়। এক পর্যায়ে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীরা রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান গ্রহণ করেন।

আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাকিব বলেন, ৫৬ শতাংশ কোটার বাহিরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য ৪৪ শতাংশ রাখা হয়েছে। সেই ৪৪ শতাংশ আবার থাকছে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় আগত মেধাবী, নারী কোটায় আগত মেধাবী, উপজাতি কোটায় আগত মেধাবী। এত কোটা দেওয়া হয়েছে, যার বিপরীতে সব সময় শূন্যপদ থাকে। যেখানে কারো নিয়োগ দেওয়া হয় না। এটা একটা বৈষম্য।

এই সময় তিনি লিখিত বক্তব্যে বিভিন্ন দাবি উত্থাপন করেন। যেমন- কোটা সংস্কার করে সহনীয় পর্যায়ে কমিয়ে আনতে হবে, কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে খালি থাকা পদগুলোতে মেধাবীদের নিয়োগ দিতে হবে, একই ব্যক্তির একই কোটার সুবিধা বার বার নিয়ে চাকরি পরিবর্তিত বন্ধ করতে হবে, একবার নির্দিষ্ট কোটা সুবিধায় চাকরি নিয়ে চাকুরি পুনরায় অন্য চাকরিতে যেতে চাইলে মেধার ভিত্তি যেতে হবে, প্রিলিমিনারিতে অভিন্ন কার্ট মার্ক এর নিশ্চয়তা দিতে হবে,

সমাজের বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে কোটা ব্যাপকভাবে সংস্কার করতে হবে, শুধু নির্দিষ্ট একটি কোটায় নিয়োগ নয়, নাতি-পুতি কোটা বাতিল করতে হবে।

এ সময় তিনি আগামী বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রয়ারি বাংলাদেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজগুলোতে বেলা ১২টায় মানববন্ধনের ডাক দেন।

 ওএইচ/আরপি

 
.




আলোচিত সংবাদ