মানবিক দারিদ্র্য দূর করে যে শিক্ষা, তা টেকসই জ্ঞান: ইউজিসি চেয়ারম্যান
Back to Top

ঢাকা, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২০ | ১৫ চৈত্র ১৪২৬

মানবিক দারিদ্র্য দূর করে যে শিক্ষা, তা টেকসই জ্ঞান: ইউজিসি চেয়ারম্যান

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৬:০৮ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৯, ২০১৮

মানবিক দারিদ্র্য দূর করে যে শিক্ষা, তা টেকসই জ্ঞান: ইউজিসি চেয়ারম্যান

গুণগত শিক্ষা মানবিক সমাজ গড়ার পূর্বশর্ত- এমন মন্তব্য করে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান বলেন, দারিদ্র্য ও মানবিক দারিদ্র্যকে দূর করে যে শিক্ষা মানব উন্নয়ন ঘটায়, তা টেকসই জ্ঞান।

সোমবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এমন কথা বলেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি ও আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের চ্যান্সেলরের পক্ষে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক আবদুল মান্নান।

অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফিলিপাইনের সাবেক মন্ত্রী ও ফিলিপাইন ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর এগ্রিকালচার অ্যান্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট মিউচুয়ালি রিইনফোরচিং ইনস্টিটিউশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ড. জেমি এরিস্টটল বি. আলিপ। 

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ডালেম চন্দ্র বর্মণ।

ডিগ্রিধারীদের উদ্দেশ্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান বলেন, গুণগত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে আপনারা ভিশন ২০২১-এর লক্ষ্য অর্জনে সচেষ্ট হবেন এবং দেশকে একটি মধ্য আয়ের দেশে রুপান্তরিত করতে ভূমিকা রাখবেন।

অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা ড. জেমি এরিস্টটল বি. আলিপ চরিত্র গঠনের ওপরে গুরত্বারোপ করেন এবং সমাবর্তনে প্রাপ্ত ডিগ্রির সমতুল্য চরিত্র ও ব্যবহার বজায় রাখার আহ্বান জানান।

আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ডালেম চন্দ্র বর্মণ বলেন, আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ভিশন হচ্ছে, জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণ। দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি ও নৈতিক মূল্যবোধের মাধ্যমে প্রত্যক্ষভাবে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ও জনগণের ক্ষমতায়নে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা।

ড. বর্মণ দারিদ্র্যমুক্ত, সুখী-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে নিজেদেরকে নিয়োজিত থাকার আহ্বান জানান ডিগ্রিধারী শিক্ষার্থীদের প্রতি।

বিশ্ববিদ্যালয়টির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য এম আব্দুল আজিজ বলেন, আমাদের লক্ষ্য ছিল এমন একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, যেখানে নিম্ন মধ্যবিত্ত, দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীরা গুণগতমানের উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাবে।

আশা ইউনিভার্সিটি দ্বিতীয় সমাবর্তনে ৫ হাজার ৮৫৫ জন গ্রাজুয়েটকে ডিগ্রি প্রদান করে। সর্বোচ্চ ফলাফলের জন্য বি.ফার্মে সোহানা দিল আফরোজ এবং এমবিএতে প্রিসিলা জামান তন্বীকে চ্যান্সেলর স্বর্ণ পদক প্রদান করা হয়।

এফবি/এএল 

 

শিক্ষাঙ্গন: আরও পড়ুন

আরও