বিদেশে কন্ডিশনিং ক্যাম্প নিয়মিত চান মামুনুল

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৮ | ১৩ বৈশাখ ১৪২৫

বিদেশে কন্ডিশনিং ক্যাম্প নিয়মিত চান মামুনুল

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৯:০৪ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ১৮, ২০১৮

print
বিদেশে কন্ডিশনিং ক্যাম্প নিয়মিত চান মামুনুল

২৭ মার্চ লাওসের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। ২০১৬ সালে ভুটানের বিপক্ষে হারের পর এটিই হবে বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচ। এই ম্যাচের আগে দলকে তৈরি করতে দেশের বাইরে দুই দফার কন্ডিশনিং ক্যাম্পের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। প্রথম ধাপে কাতারে দুই সপ্তাহের ট্রেনিং ক্যাম্প করে এসেছে কোচ অ্যান্ড্রু ওর্ডের শিষ্যরা। দ্বিতীয় ধাপে কন্ডিশনিং ক্যাম্পটি হবে থাইল্যান্ডে। ১৯ মার্চ থাইল্যান্ডের উদ্দেশ্যে ফের দেশ ছাড়বে বাংলাদেশ। সেখান থেকেই যাবে লাওস। গেল বৃহস্পতিবার কাতার থেকে ফেরা জাতীয় দলের অধিনায়ক মামুনুল ইসলাম মুখোমুখি হয়েছিলেন পরিবর্তন ডটকমের। কথা বললেন কাতারের কন্ডিশনিং ক্যাম্পসহ অনেক কিছু নিয়েই।

প্রশ্ন : কাতারে কন্ডিশনিং ক্যাম্পটি কেমন ছিল?

মামুনুল : বিশ্বব্যাপী চিন্তা করলে আমাদের জন্য প্রত্যেক বছর দেশের বাইরে এরকম ক্যাম্প করা জরুরী। জাতীয় দলের যখন গুরুত্বপূর্ণ খেলা থাকবে তখন আমরা এমন একটি দেশে গিয়ে ট্রেনিং করবো, যেটা শারীরিক এবং মানসিক দুই দিক থেকেই অনেক বেশি সাহায্য করবে। এটা সব সময়ই করা উচিত। ধারাবাহিকভাবে হলে আমাদের জন্য পজিটিভ কিছুই হবে। একবার আয়োজন করেই আকাশে উড়ার চিন্তা করলে হবে না।

প্রশ্ন : দেশের বাইরে ক্যাম্পের সুবিধাগুলো কি?

মামুনুল : বাইরে আমরা ভালো মাঠ পাচ্ছি, ভালো এনভায়রনমেন্ট পাচ্ছি। আমাদের ফোকাসটা বেশির ভাগ ট্রেনিংয়ে থাকছে। যেটা দেশে আমরা খুব বেশি পাই না। কারণ আমাদের দেশে আন্তর্জাতিক মানের মাঠ নেই এখনো পর্যন্ত। আমাদের যে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম এটা আন্তর্জাতিক মানের মাঠ না। কাতারে ট্রেনিং, খাওয়া-দাওয়া সব কিছুই ভালো ছিল। এটা ধারাবাহিকভাবে হওয়া উচিত।

প্রশ্ন : কাতারে প্রস্ততি ম্যাচ খেলার কথা থাকলেও সেটা হয়নি। অন্তত একটা প্রস্তুতি ম্যাচ হলে কি ভালো হতো না…

মামুনুল : আসলে আমরা ওখানে তো খেলার জন্য যাইনি। ট্রেনিংয়ের জন্য গিয়েছি। আমাদের টিমে অনূর্ধ্ব-১৯ দল, অনূর্ধ্ব-২৩ দল ও জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা ছিল। কাতারে আবাহনীর খেলোয়াড়রা ছিল না, কারণ তাদের আন্তর্জাতিক ম্যাচ ছিল। থাইল্যান্ডে থাকবে। সব মিলে আমাদের জন্য জরুরী ছিল ট্রেনিং। সেই দিক দিয়ে বলেবো আমারা তা ভালোভাবেই করতে পেরেছি।

প্রশ্ন : আপনি তাহলে কাতারের ক্যাম্প নিয়ে খুশি?

মামুনুল : আমি শতভাগ খুশি। লাওসের বিপক্ষে ম্যাচের আগে আমারা শারীরিক এবং মানসিকভাবে ভালো অবস্থানে থাকবো। নিজেকে নিয়ে বলবো, এটার সুবিধা আমি পেয়েছি।

প্রশ্ন : নিজের কি কি উন্নতি দেখছেন?

মামুনুল : ফিজিক্যালি, মেন্টালি, ইত্যাদি। যে সেশনগুলি বাংলাদেশে আমরা করতে পারিনি, ওরকম সেশন আমি সেখানে করেছি। আমার আগে থেকে মুভমেন্ট বেড়েছে…। তবে আমি আবারো বলছি এটা নিয়মিত হওয়া উচিত। দশ মাস যদি লিগ চলে দুই মাস অন্তত বাইরে এরকম ট্রেনিং হওয়া উচিত।

প্রশ্ন : সবাই যার যার অনেক দুর্বলতাও নিশ্চয়ই চিহ্ণিত করতে পেরেছে। সেগুলো কিভাবে কাটিয়ে উঠা যায়?

মামুনুল : দেখুন, এটা একদিনে সামাধান করা সম্ভব নয়। আমাদের গ্যাপ কিভাবে রিকোভারি হবে তার জন্য দীর্ঘ মেয়াদী প্রসেসের মধ্যে যেতে হবে। সবকিছুর একটা লং টাইম প্রসেস থাকে। একটা জেনারেশন পার হয়ে কিন্ত আরেকটা জেনারেশনের হাল ধরতে হয়। আমি মনেকরি এটা (বিদেশে কন্ডিশনিং ক্যাম্প) গুড থিং, গুড সাইট। এটার ভালো দিকটা তখনই প্রমাণিত হবে যখন একটা ভালো ম্যাচ খেলে ভালো রেজাল্ট আসবে। আর যদি তা না হয় তবে এই সবকিছুই বৃথা যাবে। যতো কষ্টই করি, ফলাফল একটাই থাকবে যে লাওসের ম্যাচটা। আমরা যেন ওখানে ভালো কিছুই করতে পারি।

টিএআর/এসএম

 
.




আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad