টাঙ্গাইলে সরকারি কর্মচারীদের কর্মবিরতি, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ
Back to Top

ঢাকা, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২০ | ২২ চৈত্র ১৪২৬

টাঙ্গাইলে সরকারি কর্মচারীদের কর্মবিরতি, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ৪:৫০ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২০

টাঙ্গাইলে সরকারি কর্মচারীদের কর্মবিরতি, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

পদবী পরিবর্তন ও বেতন গ্রেড উন্নীতকরণ করণের দাবিতে টাঙ্গাইলে সরকারি কর্মচারীরা দ্বিতীয় দিনের মতো পূর্ণ দিবস কর্মবিরতি পালন করছে। বুধবার সকাল থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত বাংলাদেশ কালেক্টরেট সহকারী সমিতি (বাকাসস) জেলা শাখার উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের মূল গেইটের সামনে এ কর্মসূচি চলবে।

কর্মবিরতি চলাকালে ভোগান্তিতে পড়েন দূরদূরান্ত থেকে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ।

আন্দোলনকারীরা জানান, ২০০১ সাল থেকে কালেক্টরেটে কর্মরত তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীদের পদবী পরিবর্তন এবং বেতন গ্রেড উন্নীতকরণের দাবি জানিয়ে আসছেন তারা। ২০১১ সালে প্রধানমন্ত্রী এ পদবী পরিবর্তন সংক্রান্ত সার সংক্ষেপ অনুমোদন দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। এর প্রেক্ষিতে সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইলেও ২৫ তারিখ থেকে শুরু হয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আন্দোলনের এ কর্মসূচি দিয়েছেন তারা।

সংগঠনের টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি মজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোতালেব সিদ্দিকী ও সাংগঠনিক সম্পাদক কবির হোসেন বলেন, ‘গত দেড় যুগে একাধিকবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সচিব কমিটির মাধ্যমে একাধিকবার আশ্বাস দিলেও এখনও তা বাস্তবায়ন হয়নি। সারা বাংলাদেশে ৫০টি ডিপার্টমেন্টের পদ পদবী পরিবর্তন করা হয়েছে। সেখানে কোন প্রকার কমিটি লাগেনি। আমাদের বেলায় কেন এতো তালবাহানা। আমাদের আন্দোলনের জন্য সাধারণ জনগণের ভোগান্তি হচ্ছে। আমরা মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলার জন্য আসিনি। আমরা মানুষকে সেবা দিতে এসেছি।

শহরের আকুর টাকুর পাড়া এলাকার আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘শহরের লৌহজং নদী উদ্ধারের কাজ চলছে। আমিও নদীর পাড়ের মানুষ। যে জায়গায় ভাংচুর করা হচ্ছে, সেই জায়গায় আমার জমিও পড়েছে। সেই বিষয়ে নিয়ে জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলতে এসেছিলাম। কিন্তু কর্মচারীদের আন্দোলনের কারণে জেলা প্রশাসক স্যারের সাথে কথা বলতে পারছি না। আমার অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে।’ 

ঢাকা থেকে আসা রুমা আক্তার বলেন,‘ জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক স্যারের সাথে কথা বলা আমার খুব প্রয়োজন। কিন্তু এখানে এসে দেখি আন্দোলন চলমান। আমি কি চলে যাবো না কি করবো আমি সঠিক বুঝতে পারছি না। তাদের আন্দোলনের কারণে আমাদের কেন ভোগান্তি পোহাতে হবে।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘আন্দোলনের কারণে আমরা অস্বস্তিকর অবস্থায় রয়েছি। অনেক দূর থেকে অনেক সেবা প্রার্থীরা এখানে এসে ফেরত যাচ্ছেন। কারণ আমাদের কার্যালয়ের যারা ফাইল ওয়ার্ক করেন তারা স্টাইক করেছেন। এটা দীর্ঘদিনের তাদের আন্দোলন। এ দাবিটি তাদের যৌক্তিক দাবি বলে আমি মনে  করি।’ 

এমএফ/

 

সমগ্রবাংলা: আরও পড়ুন

আরও