শিক্ষকের বিরুদ্ধে না.গঞ্জ জেলা শিক্ষা অফিসারের স্বাক্ষর জালের অভিযোগ
Back to Top

ঢাকা, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২০ | ১৯ চৈত্র ১৪২৬

শিক্ষকের বিরুদ্ধে না.গঞ্জ জেলা শিক্ষা অফিসারের স্বাক্ষর জালের অভিযোগ

ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি ৯:৪৬ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২০

শিক্ষকের বিরুদ্ধে না.গঞ্জ জেলা শিক্ষা অফিসারের স্বাক্ষর জালের অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার দাপা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেনীর অফিস সহায়ক বৃদ্ধকে বলাৎকারের পর এবার স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ জেলা শিক্ষা অফিসারের স্বাক্ষর জাল করে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড থেকে ৪ সদস্যের এডহক কমিটির অনুমোদন করিয়ে নিয়েছে ওই শিক্ষক।

এ জালিয়াতি করায় কেন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট বেতন-ভাতা (এমপিও) বন্ধ করার সুপারিশ করা হবে না তা ৭দিনের মধ্যে প্রধান শিক্ষক আহসান হাবিবকে ব্যাখ্যা দিতে নোটিশ পাঠিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক মোহাম্মদ আবুল মনছুর ভূইয়া। এনিয়ে মঙ্গলবার শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠে।

প্রধান শিক্ষক আহসান হাবিব বলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রেরিত ব্যাখ্যা চাওয়ার নোটিশটি সোমবার দুপুরে জেলা শিক্ষা অফিসার আমাকে তার কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে দিয়েছেন। আমি লিখিত ভাবে ব্যাখ্যা দিবো। তবে আমি কারো স্বাক্ষর জাল করিনি।

এবিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা শিক্ষা অফিসার শরিফুল ইসলাম বলেন, প্রধান শিক্ষক আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। সে এখন আমার স্বাক্ষর জাল করে এডহক কমিটির অনুমোদন নিয়ে এসেছে। বিষয়টি বোর্ড জানতে পেরে তাকে এর ব্যাখ্যা চেয়ে নোটিশ দিয়েছে। নোটিশটি আমার কাছে আসলে আমি তাকে ডেকে এনে তার হাতে দিয়েছি। যদি এনোটিশ মিথ্যা হয় তাহলে সে বোর্ডে যাচাই করতে পারে।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের জানুয়ারী ও ফেব্রুয়ারী মাসে একাধীকবার প্রধান শিক্ষক আহসান হাবিব বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেনীর অফিস সহায়ককে বলাৎকার করেন। এঘটনায় ওই বছরের ৫ ফেব্রুয়ারী দায়ের করা মামলায় তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ প্রধান শিক্ষকের অফিস কক্ষ থেকে সিসি টিভি ক্যামেরা ও বলাৎকারের সময়ে সিসি টিভিতে রের্কড হওয়া ভিডিও জব্দ করেন। এরপর পুলিশ ওই প্রধান শিক্ষককে গ্রেফতার করলে তিনি দীর্ঘদিন জেল খেটে জামিনে মুক্তি পান।

এপি/এইচকে

 

সমগ্রবাংলা: আরও পড়ুন

আরও