ইটের মাপে নয়-ছয়
Back to Top

ঢাকা, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২০ | ২৫ চৈত্র ১৪২৬

ইটের মাপে নয়-ছয়

রাজবাড়ী প্রতিনিধি ৬:০০ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২০

ইটের মাপে নয়-ছয়

রাজবাড়ী উপজেলার শহীদওহাবপুর ইউনিয়নের ধুলদীজয়পুরে ইটের আকৃতি সঠিক না থাকায় দুই ইটভাটাকে জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার বিকেলে ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। জরিমানা ইটভাটা দুটি হলো মেসার্স একেবি বিকস ও মেসার্স একেএম বিকস।

অভিযানের নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর রাজবাড়ীর সহকারি পরিচালক শরিফুল ইসলাম। এসময় পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) বায়েজিদ মোল্লা উপস্থিত ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর রাজবাড়ীর সহকারি পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মেসার্স একেবি ব্রিকস দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে ইট তৈরি করে আসছিলেন। এখানে নিয়ম অমান্য করে কাঠ পোড়ানো হয়। এছাড়া ইটের ভেতরের অংশে নামফলক বড় করে তৈরি করা হয়। নামফলকে নির্ধারিত মাপের চেয়ে বড় করায় গতবছরেও ইটভাটাকে জরিমানা করা হয়। ভবিষ্যতে আর এই অপরাধ করা হবে না বলে মালিকপক্ষ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো। আবারো একই অপরাধ করায় তাদের একলাখ টাকা জরিমানা করা হয়। আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে এই টাকা জমা দেওয়া হবে।

মেসার্স একেএম বিকসের মালিক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান। ইটভাটায় নামফলক বড় করে তৈরি করা হয়। এই অপরাধে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বিএসটিআইয়ের নিয়ম অনুযায়ী ইটের ভেতর নামফলক লেখার জন্য মাপ নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। নামফলক লেখার স্থানের আয়তন হবে দৈর্ঘে ১৩ সেন্টিমিটার, চওড়া পাঁচ সেন্টিমিটার ও গভীরতা হবে এক সেন্টিমিটার। কিন্তু এসব ইটভাটায় ইটের নামফলক লেখার আয়োতন দৈর্ঘ্যে ১৮-১৯ সেন্টিমিটার, চওড়ায় ৬ সেন্টিমিটার ও গভীরতায় পৌনে দুই সেন্টিমিটার।

জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর রাজবাড়ীর সহকারি পরিচালক শরিফুল ইসলাম বলেন, ইট তৈরির সময় আকৃতি বেঁধে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু নির্ধারিত মাপ কৌশলে অমান্য করা হচ্ছে। এতে করে ভোক্তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। একারনে এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

এমএইচএম/এএসটি

 

সমগ্রবাংলা: আরও পড়ুন

আরও