সাড়ে চারশ দিনের দুঃখ ঘোচানোর নায়ক যারা
Back to Top

ঢাকা, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২০ | ২০ চৈত্র ১৪২৬

সাড়ে চারশ দিনের দুঃখ ঘোচানোর নায়ক যারা

পরিবর্তন ডেস্ক ৩:০৫ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২০

সাড়ে চারশ দিনের দুঃখ ঘোচানোর নায়ক যারা

হঠাৎ করেই যেন অতল অন্ধকারে তলিয়ে যায় বাংলাদেশ ক্রিকেট। ক্রিকেটের ৩ ফরম্যাটেই পারফরম্যান্স বিবর্ণ হতে থাকে তাদের। বিশেষ করে সাদা পোশাকে ক্রিকেটে বেশ করুণ অবস্থা। কোন দলের সঙ্গেই পেরে উঠছিল না। এমনকি ঘরের মাঠে আফগানিস্তানের কাছেও হারে বিশাল ব্যবধানে।

সর্বশেষ পাকিস্তান সফরে গিয়ে রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে হারে ইনিংস ব্যবধানে। মিরপুর টেস্টের আগে খেলা ৬ টেস্টের ৫টিতেই বাংলাদেশে হেরেছিল ইনিংস ব্যবধানে। এমনকি জয় পেতেই ভুলে গিয়েছিল দল।

অবশেষে মিরপুর টেস্টে এসে ভুলে যাওয়া জয়ের স্বাদ পায় টাইগাররা। এর মধ্যে দিয়ে অবসান ঘটল ৪৫০ দিনের দুর্বিষহ অপেক্ষার। এর আগে সর্বশেষ টেস্ট জিতেছিল বাংলাদেশ ২০১৮ সালের ২ ডিসেম্বর। এই শেরেবাংলা স্টেডিয়ামেই, প্রতিপক্ষ ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

এরপর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২টি, আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১টি, ভারতের বিপক্ষে ২টি ও পাকিস্তানের বিপক্ষে ১টি টেস্ট খেলেছে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে আফগানিস্তানের কাছে ইনিংস ব্যবধানে না হারলেনও হারটা বেশ বড়ই ছিল, ২২৪ রানের। আর প্রতিটি টেস্টই পড়তে হয়েছে ইনিংস হারের লজ্জায়।

এই দীর্ঘ সময়ের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে জিম্বাবুয়েকে হারানোর নায়ক মূলত পুরো দলই। অসামান্য দলীয় পারফরম্যান্স ছিল মিরপুরে। তবু আলাদা করে বলা যায় মুশফিকুর রহীমের নাম। বলা যায় নাঈম হাসানের নাম। সহ নায়ক হিসেবে তাইজুল ও মুমিনুল হকরাও থাকবেন।

জিম্বাবুয়ের সঙ্গে রানের বোঝা চাপিয়ে দিয়েছে মূলত মুশফিকের ২০৬* রানের এক অসামান্য ইনিংস। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাক এই ব্যাটসম্যান ৩১৮ বল মোকাবেলা করে মেরেছেন ২৮টি চার। তার অন্যতম সঙ্গী হিসেবে ছিলেন মুমিনুল। দলের অধিনায়ক ২৩৪ বল খেলে ১৪ চারে সাজিয়ে করেছেন ১৩২ রান।

এদিকে বল হাতে জিম্বাবুয়েকে সবচেয়ে বেশি ভুগিয়েছেন নাঈম। ১৯ বছর বয়সী এই অফ স্পিনার দুই ইনিংস মিলিয়ে নিয়েছেন ৯ উইকেট। এর মধ্যে দ্বিতীয় ইনিংসেই নিয়েছেন ৫ উইকেট।  কম যাননি অন্য অফ স্পিনার তাইজুল ইসলামও। দ্বিতীয় ইনিংসে নাঈমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তিনি নিয়েছেন ৪ উইকেট। আগের ইনিংস নিয়েছিলেন ২ উইকেট।

পিএ

 

খেলাধুলা: আরও পড়ুন

আরও