ভারতীয় যুবাদের কঠোর শাস্তি চান কপিল-আজহারউদ্দীনরা

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ৬ ফাল্গুন ১৪২৬

ভারতীয় যুবাদের কঠোর শাস্তি চান কপিল-আজহারউদ্দীনরা

পরিবর্তন ডেস্ক ৩:২৭ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২০

ভারতীয় যুবাদের কঠোর শাস্তি চান কপিল-আজহারউদ্দীনরা

যুব বিশ্বকাপের ফাইনালে বাংলাদেশ ও ভারতীয় ক্রিকেটারদের হাতাহাতি ও বাদানুবাদের ঘটনায় ভারতীয় যুব ক্রিকেটারদের কঠোর শাস্তি চেয়েছেন কপিল দেব। কড়া ব্যবস্থার দাবী জানিয়েছেন দেশটির সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আজহারউদ্দীনও।

রোববার ভারতে ৩ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের মতো যুব বিশ্বকাপের শিরোপা জেতে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। ম্যাচ শেষে মাঠে হাতাহাতিতে লিপ্ত হন দুই দলের কিছু ক্রিকেটার।

এ ঘটনায় বাংলাদেশের ৩ জন ও ভারতের ২ ক্রিকেটারের বিভিন্ন মেয়াদে নিষিদ্ধ করেছে আইসিসি। আইসিসির নিষেধাজ্ঞায় পড়া তিন বাংলাদেশি ক্রিকেটার হলেন তৌহিদ হৃদয়, শামীম হোসেন ও রকিবুল হাসান। এর মধ্যে তৌহিদ হৃদয়ে সর্বোচ্চ ১০ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছে। এছাড়া শামীম হোসেন ৮ ম্যাচের জন্য ও রকিবুল হাসান ৪ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন। নিষিদ্ধ ভারতীয় দুই ক্রিকেটার হলেন আকাশ সিং (৬ ম্যাচ) ও রবি বিষ্ণুই (৫ ম্যাচ)।

এই নিষেধাজ্ঞার ফলে নিজ দেশের অনূর্ধ্ব-১৯ ও ‘এ’ দলের হয়ে ওই নির্দিষ্ট সংখ্যক ম্যাচ খেলতে পারবেন না এই ৫ ক্রিকেটার। তবে এই শাস্তি যথেষ্ট বলে মনে করছেন না কপিল দেব। ভারতের বিরাশির বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক মনে করেন এ বিষয়ে বিসিসিআইয়েরও কঠোর পদক্ষেপ নেয়া উচিৎ।

দ্য হিন্দুকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেছেন, ‘আমি চাই বোর্ড কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে উদাহরণ সৃষ্টি করবে। ক্রিকেট খেলাটা প্রতিপক্ষকে অপমানের জায়গা না। আমি নিশ্চিত এদের শিক্ষা দেওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে বিসিসিআইর।’

ক্রিকেটে আগ্রাসী মনোভাব মোটেও খারাপ চোখে দেখছেন না কপিল। তবে তা নিয়ন্ত্রণের সামর্থ্য তাকা উচিৎ বলে মনে করেন তিনি, আগ্রাসী আচরণকে আমি স্বাগত জানাই। এটাতে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু আগ্রাসী আচরণের নিয়ন্ত্রণ থাকতে হবে। কখনোই সীমা ছাড়িয়ে যাওয়া উচিৎ নয়। ক্রিকেট মাঠে যেটা হয়েছে সেটা একেবারেই অপ্রত্যাশিত।’

এদিকে কপিল দেবের সুরেই কথা বলেছে ভারতের আরেক সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আজহারউদ্দীন। তিনিও ভারতীয় যুব দলের ক্রিকেটারদের শাস্তি চান। ভারতের অন্যতম সফল এই অধিনায়ক বলেছেন, ‘অনূর্ধ্ব ১৯ ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাই বলব আমি। এই জুনিয়র ক্রিকেটারদের শিক্ষিত করার জন্য সাপোর্ট স্টাফের ভূমিকা কী ছিল, সেটাও আমি জানতে চাই। ক্রিকেটারদের শৃঙ্খলাপরায়ণ হতে হয়। নিয়ম মেনে চলতে হয়। আগেই ওদের শেখানো উচিত ছিল। এখন তো অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে।’

পিএ

 

খেলাধুলা: আরও পড়ুন

আরও