হাথুরুসিংহের চলে যাওয়াকে পেশাদারই বললেন হিথ স্ট্রিক

ঢাকা, রবিবার, ২১ জানুয়ারি ২০১৮ | ৭ মাঘ ১৪২৪

হাথুরুসিংহের চলে যাওয়াকে পেশাদারই বললেন হিথ স্ট্রিক

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৮:০৪ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৩, ২০১৮

print
হাথুরুসিংহের চলে যাওয়াকে পেশাদারই বললেন হিথ স্ট্রিক

ত্রিদেশীয় সিরিজে অংশ নিতে বাংলাদেশে এসেছে শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট দল। দুই দেশেরই বর্তমান কোচ একসময় বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের কোচ ছিলেন। শ্রীলঙ্কার কোচ চন্ডিকা হাতুরুসিংহে কিছুদিন আগেই বাংলাদেশের প্রধান কোচের দায়িত্ব ছেড়েছেন। জিম্বাবুয়ের কোচ হিথ স্ট্রিক টাইগারদের বোলিং কোচ ছিলেন এক সময়। কাজ করেছেন হাতুরুসিংহের সঙ্গেও।

২০১৬ সালে বাংলাদেশর সঙ্গে চুক্তি শেষ হওয়ার পর আর তা নবায়ন করেননি স্ট্রিক। আর ২০১৭ সালের শেষ দিকে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের পর বাংলাদেশ থেকে হাতুরুসিংহের প্রস্থানটা বেশ নাটকীয়ই ছিলো। ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরুর আগে শনিবার সংবাদ সম্মেলনে হাজির হয়েছিলেন হিথ স্ট্রিক। যদিও হাতুরুসিংহের অনেক আগেই বাংলাদেশে নিজের অধ্যায় শেষ করে বিদায় নিয়েছিলেন স্ট্রিক। তবু এদিন হাতুরুসিংহের প্রস্থানের প্রসঙ্গটি উঠেছিলো সংবাদ সম্মেলনে। সেখানে চন্ডিকার প্রস্থানটাকে পেশাদারই বললেন স্ট্রিক। কৌশলী উত্তরে তিনি বলেছেন, নিজ দেশে কোচিংয়ের প্রস্তাব পেলে, যে কারোর পক্ষেই ফিরিয়ে দেয়া কষ্টকর।

জিম্বাবুয়ের কোচ হয়ে বাংলাদেশে আসলেও এ দেশকে নিয়ে নিজের মুগ্ধতার কথা বলেছেন হিথ স্ট্রিক। বাংলাদেশকে নিজের দ্বিতীয় বাড়ি মনে করেন তিনি। এখানকার সব কিছু তার চেনা জানা। অনেক বন্ধু আছে তার এখানে। ত্রিদেশীয় সিরিজে খুব ভালো ক্রিকেট হবে বলে বিশ্বাস করেন ৪৩ বছর বয়সী এ সাবেক ফাস্ট বোলার।

তবে হাতুরুসিংহের হঠাৎ বাংলাদেশের দায়িত্ব ছেড়ে শ্রীলঙ্কার কোচ হওয়ার প্রসঙ্গটি আসলেই দারুণ কৌশলী উত্তর দেন স্ট্রিক। তিনি বলেছেন, ‘আমি এখানে ছিলাম না। কিন্তু, দিন শেষে চন্ডিকা অবশ্যই একজন শ্রীলঙ্কান। নিজ দেশের কোচ হওয়ার সুযোগ সব সময়ই একটা বড় ব্যাপার। আমি নিশ্চিত, বাংলাদেশের কেউ যদি অন্য দেশের কোচ থাকতো এবং সে সময় তিনি যদি নিজ দেশের কোচ হওয়ার প্রস্তাব পেতেন, তখন বেশিরভাগ মানুষের পক্ষেই সেই সুযোগ অগ্রাহ্য করা কষ্টকর হতো। ‘

হিথ স্ট্রিক আরো বলেন, ‘আমি মনে করি, চন্ডিকা সত্যিকার অর্থেই বাংলাদেশের জন্য ভালো কাজ করেছেন। তার অধীনে যারা কাজ করেছে, তারা তার সাফল্যকে ভুলতে পারবে না। তিনি ৩ বছরের চুক্তি করেছিলেন। কোচিংটা খুবই কষ্টসাধ্য, যখন আপনি বাড়তি সময় পরিবারের কাছ থেকে দূরে থাকেন। কোচের কাছে নিজ দেশ সবসময়ই মর্যাদাপূর্ণ। সকলেই নিজ দেশের কোচ হতে চায়।’

পিএ/টিএআর

print
 
.

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad