‘দেশি-বিদেশী বলে কিছু নেই, এটি একটি দল’

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭ | ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৪

বিপিএল ২০১৭

‘দেশি-বিদেশী বলে কিছু নেই, এটি একটি দল’

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৬:৩৭ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৪, ২০১৭

print
‘দেশি-বিদেশী বলে কিছু নেই, এটি একটি দল’

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) শুরু থেকেই আলোচনায় বিদেশি খেলোয়াড়। কারণ চলতি আসরে একাদশে পাঁচ জন বিদেশি খেলোয়াড় খেলছে। ফলে দারুণ চাপে রয়েছে দেশের স্থানীয় খেলোয়াড়রা। নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগটাই পাচ্ছেন না তারা। এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনাও অনেক। তবে ঢাকা ডায়ানামাইটসের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান জহুরুল ইসলাম অমি বলছেন ভিন্ন কথা। দেশি বিদেশি খেলোয়াড় আলাদা না করে সবাইকে একই দলের খেলোয়াড় হিসেবেই ভাবছেন তিনি।

.

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার খুলনা টাইটান্সের বিপক্ষে ঢাকার জয়ের নায়ক জহুরুল এলেন সংবাদ সম্মেলনে। এসময় একাদশে বিদেশিদের প্রাধান্য প্রসঙ্গটি উঠতেই জহুরুল বললেন, ‘বিদেশী আর স্থানীয় বলে কিছু নেই, এটি একটি দল। দলের কম্বিনেশনের জন্য যাকে আগে প্রয়োজন হয়, তকেই নামায়। এখন যেহেতু দল হয়ে গেছি, এভাবে ভাগ করা যাবে না যে বিদেশী বা স্থানীয়। এমনও হতে পারে কোনোদিন আমাকে ওপেনিংয়ে নামাতে পারে,কোনো দিন তিনে। এটা টিমের পরিকল্পনা। ওদের শক্তি অনুয়ায়ী ওদেরকে নামানো হচ্ছে।’

প্রথম ম্যাচে হারের পর টানা তিনটি ম্যাচ জিতেছে জহুরুলদের দল ঢাকা ডায়নামাইটস। মঙ্গলবার খুলনা টাইটান্সের বিপক্ষে রোমাঞ্চকর জয়ের নায়ক তিনিই। অথচ দলটির টপ অর্ডারে দেশি খেলোয়াড়রা সুযোগই পাচ্ছেন না। এদিন সুযোগ পেয়েই দলকে জেতাতে রাখেন মুখ্য ভূমিকা। তারপরও বিদেশিদের পক্ষেই কথা বললেন জহুরুল, ‘যারা এসেছে আমাদের দলে, তারা টি-টোয়েন্টিতে অনেক বড় ক্রিকেটার, রেকর্ডও অনেক ভালো আমাদের থেকে। তারা অনেক বেশি ম্যাচও খেলে থাকে। এজন্যই তারা ওপরে খেলে।’

শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং করে এদিন দলকে জয় এনে দিয়েই মাঠ ছাড়েন জহুরুল। হন ম্যাচ সেরা। তবে জয়ের কৃতিত্ব পোলার্ডকেই দেন তিনি, ‘মূল কাজ করে দিয়েছে পোলার্ড। তখন রানরেট ছিল (আস্কিং) সাড়ে ১৪। আমাদের জন্য কাজটি খুবই কঠিন। আমরা হয়ত ক্যালকুলেশন করে ৮-৯ করে করতে পারব। পোলার্ডের ইনিংসটিই ম্যাচে আসলে আমাদের এত দূর নিয়ে এসেছে। পরে আমি আর সৈকত (মোসাদ্দেক হোসেন) ঠিক করেছিলাম শেষ পর্যন্ত খেলব।’

এবারের আসরে কিছু করে দেখানোর জন্য খুব একটা সুযোগ পাচ্ছেন না স্থানীয় খেলোয়াড়রা। এদিন সুযোগ পান জহুরুল। আর পেয়েই তা কাজে লাগাতে পেরে দারুণ খুশি এ ব্যাটসম্যান, ‘খুবই ভালো লাগছে। আমদের যে ব্যাটিং লাইন আপ, এখানে সুযোগ পাওয়া খুবই কঠিন। স্থানীয়রা খুব একটা সুযোগই পাইনি আগে। কারণ বিদেশীদের শক্তির জায়গা বেশি, টি-টোয়েন্টিতে ওরা খুবই ভালো ব্যাটসম্যান। আজকে ১৫৫ রান তাড়ায় এত মারার দরকার ছিল না। একটু ধীরগতির শুরু হলেও আমাদের ব্যাটসম্যানদের যে সামর্থ্য, রানটা পরে পুষিয়ে নেওয়া যেত। আজকে প্রথমবার বড় চাপে পড়ে গিয়েছিলাম। ২৪ রানে ৪ উইকেট ছিল, আমি যখন নামলাম। আমাদের মত ক্রিকেটারদের জন্য এটি একটি সুযোগ যে শেষ পর্যন্ত খেলা।’

আরটি/টিএআর

print
 

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad