প্রাইম ব্যাংকের টানা তিনে মোহামেডানের হার

ঢাকা, বুধবার, ২৩ আগস্ট ২০১৭ | ৮ ভাদ্র ১৪২৪

প্রাইম ব্যাংকের টানা তিনে মোহামেডানের হার

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৫:০৪ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২১, ২০১৭

print
প্রাইম ব্যাংকের টানা তিনে মোহামেডানের হার

কাগজে কলমে ঠিক সেরা দলের দাবিদার হয়তো তারা নয়। কিন্তু ক্রিকেটটা তো আসলে মাঠের হিসেবের খেলা। কাগুজে হিসেবটা সেখানে অনেক সময় গৌনই বলা যায়। ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে  প্রাইম ব্যাংকের ছুঁটে চলাটা তেমনই। মাঠে নিজেদের সেরা প্রমাণ করে। শুক্রবার মোহামেডান স্পোটিং ক্লাবকে ৭ উইকেটে হারিয়ে টানা তৃতীয় জয় তুলে নিল দলটি। এক ম্যাচ আগেই সেঞ্চুরি করা মোহাম্মদ আল-আমিন জুনিয়র এ ম্যাচে বল হাতে নিলেন ৫ উইকেট। তাতে বৃষ্টির কারণে ৪১ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে ৩৬.১ ওভারে ১৪২ রানে অল আউট তামিম ইকবালের মোহামেডান। ডাক ওয়ার্থ লুইস ম্যাথডে প্রাইমের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাড়ালো ৪১ ওভারে ১৪৯ রানের। সাব্বির রহমানের অপরাজিত ৭৮ রানে যা ৮০ বল বাকী থাকতেই ছুঁয়ে ফেলল প্রাইম ব্যাংক। ম্যাচ সেরা হয়েছেন আল-আমিন জুনিয়র।

কলাবাগানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে এবারের লিগে নিজেদের মিশন শুরু করে প্রাইম ব্যাংক। দ্বিতীয় ম্যাচে খেলাঘরকে ৫৯ রানে হারায় দলটি। অন্যদিকে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের বিপক্ষে ৭ উইকেটে হার দিয়ে শুরু মোহামেডানের। আগের মৌসুমে পাওয়া এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে পরের ম্যাচে মাঠে নেমে ১৫৭ রানের ইনিংস খেলেন তামিম । তাতে কলাবাগানের বিপক্ষে ২৪ রানের জয় মোহামেডানের। কিন্তু প্রাইম ব্যাংকের বিপক্ষে এক ম্যাচ পরই আবারো হারের বৃত্তে সাদাকালো শিবির।

ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে মোহামেডান এগুচ্ছিল ভালো ভাবেই। ওপেনার শামসুর রহমান শুভ ১৩ ও রনি তালুকদার ৭ রান করে বিদায় নিলেও  ধীরস্থির ব্যাটিংয়ে একপ্রান্ত আগলে রাখছিলেন তামিম ইকবাল। কিন্তু অফ স্পিনার আল-আমিন জুনিয়র বল হাতে নিতেই পাল্টে গেল চিত্র। তামিমকে ব্যাক্তিগত ৪৬ রানে ফিরিয়েই আল-আমিনের উইকেট উৎসব শুরু। এরপর একে একে ফেরালেন রহমত শাহ, রকিবুল হাসান, নাজমুল মিলন ও মেহেদী হাসান মিরাজকে। পরে সিনিয়র আল-আমিন হোসেনও ২ উইকেট নিলে মোহামেডন ৩৬.১ ওভারেই শেষ ১৪২ রানে। তামিম ইকবালের ৪৬ রানই মোহাডেনের সর্বোচ্চ স্কোর।

জবাবে মাত্র ১০ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বিপদেই পড়ে গিয়েছিল প্রাইম ব্যাংক। কিন্তু সাব্বির রহমানের জ্বলে উঠার দিনে সেই বিপদ উড়ে যায় নিমিশেই। সাব্বিরের অপরাজিত ৭৮ রানের ইনিংসে ছিল ৫টি ছয় ও ৪টি চার। এছাড়া তাইয়াবুর পারভেজ  ৪২ রানে অপরাজিত ছিলেন।

টিএআর

print
 
nilsagor ad

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad