নোয়াখালীতে সংঘর্ষে আহত যুবলীগ কর্মীর মৃত্যু
Back to Top

ঢাকা, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২০ | ২৬ চৈত্র ১৪২৬

নোয়াখালীতে সংঘর্ষে আহত যুবলীগ কর্মীর মৃত্যু

নোয়াখালী প্রতিনিধি ৬:৪৩ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২০

নোয়াখালীতে সংঘর্ষে আহত যুবলীগ কর্মীর মৃত্যু

এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে নোয়াখালী বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে আহত যুবক মো. হাসান (২৪) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

নিহত যুবলীগকর্মী হাসানের বিরুদ্ধে থানায় ৬টি মামলা রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

এ ঘটনায় ১৫ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন নিহত হাসানের মা ধনী বেগম।

এদিকে, সোমবার রাতে বেগমগঞ্জ থানা পুলিশ হত্যা মামলার ৬ নং আসামি হাসাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত হাসান ওই উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার হাজী পুর গ্রামের কামাল উদ্দিনের ছেলে। 

এর আগে, সোমবার বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার নদার্ণ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। নিহত হাসান শরীফপুর ইউনিয়নের উত্তর শরীফপুর গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাত ২টার দিকে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শরীফপুর গ্রামের জয়নাল আমিনের বাড়ী এলাকায় সম্রাট ও সুমন বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় সুমন ওরফে খালাসি সুমনের লোকজন সম্রাটের অনুসারী হাসানকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে। আশংকাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ও অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে ঢাকার নদার্ন হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

নিহতের মামা এমাম হোসেন জানান, সন্ত্রাসী সুমন ও তার লোকজন হাসানের পুরো শরীরের কুপিয়ে ২০-২৫টি জখম করেছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তাকে নোয়াখালী থেকে ঢাকায় নেওয়া হয়েছিল। সোমবার ঢাকাতে তার মৃত্যু হয়।  

বেগমগঞ্জ উপজেলা যুবলীগ আহবায়ক ও বেগমগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান নূর হোসেন মাসুদ জানান, সম্রাট ও সুমন উভয় সন্ত্রাসী বাহিনী। তাদের সাথে যুবলীগের কোনো সম্পর্ক নেই। নিহত হাসান যুবলীগের সদস্য নন।

বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন উর রশিদ চৌধুরী জানান, হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।

আইএইচএস/এএসটি

 

সমগ্রবাংলা: আরও পড়ুন

আরও