এই রায় রোহিঙ্গা জাতিসত্তার সবচেয়ে বড় অর্জন

ঢাকা, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ৯ ফাল্গুন ১৪২৬

এই রায় রোহিঙ্গা জাতিসত্তার সবচেয়ে বড় অর্জন

কক্সবাজার প্রতিনিধি ৭:৫০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৩, ২০২০

এই রায় রোহিঙ্গা জাতিসত্তার সবচেয়ে বড় অর্জন

আন্তর্জাতিক আদালতের রায় শোনার জন্য দুপুর থেকেই টেলিভিশনের সামনে আর মোবাইল নিয়ে অপেক্ষায় ছিলেন বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গারা।

বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে) রায় ঘোষণা শুরু হয়।

জাতিসংঘের এই সর্বোচ্চ আদালত বলেছে, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী বা কোনো পক্ষ এমন কিছু করতে পারবে না, যা গণহত্যা হিসেবে পরিগণিত হতে পারে।

রায় ঘোষণার পরে আদালতের প্রতি শুকরিয়া আদায় করেন রোহিঙ্গারা।

এই রায় রোহিঙ্গা জাতিসত্তার ৭ দশকের লড়াইয়ের সবচেয়ে বড় অর্জন মনে করছেন তারা।

আশ্রিত রোহিঙ্গা রেজাউল করিম বলেন, আন্তর্জাতিক আদালত আজকের যে রায় দিয়েছে তার জন্য আমরা আল্লাহর কাছে শুকরিয়া করছি। রোহিঙ্গাদের অধিকার ফিরে পাওয়ার ৭ দশকের সংগ্রামের এটি সবচেয়ে বড় অর্জন। এজন্য বাংলাদেশ ও গাম্বিয়াসহ বিশ্বের যেই দেশগুলো সহযোগিতা করছে তাদের প্রতি আমরা (রোহিঙ্গা) কৃতজ্ঞ।

সৈয়দুর কাদের নামের আরেক রোহিঙ্গা বলেন, মিয়ানমার যে রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন অস্বীকার করে আসছিলো, হেগের আন্তর্জাতিক আদালতের সূচির আবেদন প্রত্যাখান করে রায় দিয়ে তাকে (সূচি) মিথ্যুক প্রমাণ করেছে। সেই জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।

মাহাবুবুর রহমান নামের আরেক রোহিঙ্গা বলেন, আদালতের এই রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। আমরা এখন রোহিঙ্গা গণহত্যার পূর্ণাঙ্গ বিচার চাই। আশা করি আমরা ন্যায় বিচার পাবো।

মোহাম্মদ বেদার নামের রোহিঙ্গা বলেন, গণহত্যার পরে আমরা গত তিন বছর ধরে এই ধরনের বিচারের অপেক্ষায় ছিলাম। আদালত আজকে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা ও গণহত্যার আলামত ধ্বংস না করার রায়ে আমরা সন্তুষ্ট।

রোহিঙ্গা রুবেল বলেন, আমরা ১০ লাখ রোহিঙ্গা পূর্ণাঙ্গ বিচারের অপেক্ষায় আছি। আমরা পূর্ণ স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিয়ে মিয়ানমারে ফিরে যেতে চাই।

এসবি

 

সমগ্রবাংলা: আরও পড়ুন

আরও