খাগড়াছড়িতে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

ঢাকা, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ৯ ফাল্গুন ১৪২৬

খাগড়াছড়িতে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি ৪:১৭ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২২, ২০২০

খাগড়াছড়িতে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

যৌতুকের জন্য স্ত্রী কোহিনুর বেগমকে (৩৫) গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগে স্বামী শাহ আলমকে(৪৬) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আজ বুধবার খাগড়াছড়ি নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল বিচার রেজা আলমগীর হাসান এ রায় দেন। একই সাথে আদালত আসামিকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছে। তবে আসামি এ রায়ের বিরুদ্ধে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে আপিল করতে পারবেন বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

আদালত সূত্র জানায়, বিয়ের পর থেকে যৌতুককের দাবিতে স্বামী শাহ আলম তার স্ত্রীর ওপর প্রায়ই নির্যাতন চালাতো। এ নিয়ে শাহ আলমের বিরুদ্ধে আদালতে মামলাও হয়। পরে আসামির অঙ্গীকার নামার মাধ্যমে মামলা প্রত্যাহার হলে আবারও যৌতুকের জন্য কোহিনুর বেগমের নির্যাতন শুরু হয়। তারই ধারাবাহিকতায় ২০০৯ সালের ৭ সেপ্টেম্বর বিকাল ৪টার দিকে রোজার দিনে ক্লান্ত হয়ে শুয়ে থাকা কোহিনুর বেগমের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় শাহ আলম। এ সময় সে ঘরের দরজা বন্ধ করে দেয়। কোহিনুর বেগমের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে দগ্ধ কোহিনুর বেগমকে প্রথমে দীঘিনালা ও পরে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থা আরো অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও ২৩ দিন পর পহেলা অক্টোবর কোহিনুর বেগম মারা যান।

এ ঘটনায় কোহিনুর বেগমের ছোট ভাই আলম মিয়া ২০০৯ সালের ১১ সেপ্টেম্বর দীঘিনালা থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে একই বছরের ৯ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোপত্র দাখিল করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌসুলি বিধান কানুনগো বলেন, মামলায় ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেছেন।  

জেবি/এএসটি

 

সমগ্রবাংলা: আরও পড়ুন

আরও