ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি রাজমিস্ত্রী!

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ৬ ফাল্গুন ১৪২৬

ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি রাজমিস্ত্রী!

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি ১২:৫৩ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৯, ২০২০

ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি রাজমিস্ত্রী!

পেশায় রাজমিস্ত্রীকে সভাপতি করার অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার একটি ইউনিয়নের ছাত্রলীগের ২৫ জনের কমিটির ১৩ জন নেতাই পদত্যাগ করেছেন। শনিবার জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির কাছে নাটাই দক্ষিণ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটি থেকে ওই নেতাদের স্বাক্ষরিত পদত্যাগ পত্র জমা দেওয়া হয়। জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেল পদত্যাগ পত্র পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।

এদের মধ্যে দুইজন সহ-সভাপতি ও চারজন যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রয়েছেন। কমিটি গঠনের ১৫ দিনের মাথায় তারা পদত্যাগ করলেন।

জেলা ছাত্রলীগ, নাটাই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কোনো নেতার সাথে পরামর্শ না করেই এই কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন পদত্যাগী নেতারা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ৩ জানুয়ারি দানিছুর রহমান বাবুকে সভাপতি এবং মেহেদী আলম আরিফকে সাধারণ সম্পাদক করে ২৫ সদস্যবিশিষ্ট নাটাই দক্ষিণ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটি অনুমোদন দেন সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী খাইরুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক মো. তারিকুল ইসলাম রায়হান।

এ ব্যাপারে সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী খাইরুল আলম বলেন, আগের আহ্বায়ক কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় তিনি সংগঠনকে গতিশীল করার জন্য সকলের সাথে পরামর্শ করেই গত ৩ জানুয়ারি নাটাই দক্ষিণ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের ২৫ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন দেন।

তিনি বলেন, ১৩ জনের পদত্যাগের কথা লোকমুখে শুনেছেন। কোনো কপি পাননি। কেউ তার কাছে পদত্যাগ পত্র জমাও দেননি। আর যার কথা বলা হচ্ছে পেশায় রাজমিস্ত্রী, তিনি আগে ওই ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ড কমিটিতে ছিলেন।

এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেল বলেন, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক জেলা ছাত্রলীগের সাথে কোনো ধরনের পরামর্শ না করেই তার মনগড়া মতো সংগঠন পরিচালনা করে আসছেন।

তিনি বলেন, যাকে সভাপতি পদ দেওয়া হয়েছে, শুনেছি সে পেশায় রাজমিস্ত্রী। বিষয়টি আমরা খোঁজ নিচ্ছি। এই বিষয়ে সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে শোকজ করা হবে।

তবে এ বিষয়ে জানতে নবগঠিত কমিটির সভাপতি দানিছুর রহমান বাবুর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও বন্ধ পাওয়া যায়।

এআর/আরপি

 

সমগ্রবাংলা: আরও পড়ুন

আরও