রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মিয়ানমারের এনজিও!
Back to Top

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২০ | ১৮ আষাঢ় ১৪২৭

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মিয়ানমারের এনজিও!

কক্সবাজার প্রতিনিধি ২:৫১ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ০১, ২০১৯

কক্সবাজারের উখিয়ার ৮টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অনুমোদন ছাড়াই কাজ করছে মিয়ানমার ভিত্তিক এনজিও কমিউনিটি পার্টনার্স ইন্টারন্যাশনার (সিপিআই)।

মিয়ানমারের সরকার ও সেই দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা দ্বারা এনজিও-টি পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এনজিওটির বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে থেকে মিয়ানমার সরকারের কাছে তথ্য পাচার, সন্ত্রাসীদের মদদ দেওয়ার অভিযোগও করছেন স্থানীয়রা।

সূত্র জানায়, বাংলাদেশ সরকারের কোনো অনুমতি না নিয়েই কক্সবাজার শহরে বিশাল অফিস গড়ে তুলেছে এনজিও-টি। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রিত অফিসে স্থাপন করা হয়েছে উখিয়া টেকনাফের প্রতিটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ম্যাপ। এনজিওটির অফিসে ঢুকলে পুরো রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অবস্থান বুঝা যাবে।  

বাংলাদেশে কাজ করার কোনো অনুমতি না থাকলেও দেশীয় পালর্স বাংলাদেশ, রোকিয়া ফাউন্দেশন, ভার্স, হেল্প কক্সবাজার, প্রত্যাশি, স্পেশ ও ওভার্ড সহ প্রায় দশটি এনজিওর ডোনার হিসেবে তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাজ করছে। অভিযোগ আছে, পার্টনার এনজিওদের  ছত্রছায়ায় মিয়ানমারের এনজিও-টি বাংলাদেশের আইনকে তোয়াক্কা না করে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তাদের কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে।

রোহিঙ্গা প্রতিরোধ ও প্রত্যাবাসন সংগ্রাম কমিটির সভাপতি মাহামুদুল হক চৌধুরী বলেন, সিপিআই মিয়ানমারের সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় এনজিও। এই এনজিও মিয়ানমারের পক্ষে কাজ করতেই রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে কাজ করছে।

এ ব্যাপারে রোহিঙ্গা ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালাম বলেন, ক্যাম্পে এনজিওদের অনুমতি দেয় এনজিও অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো। তারা শুধু এনজিওদের মনিটর বা সমন্বয় করে থাকে। সিপিআই এনজিওটির অনুমতি আছে কী নেই তা জানা নেই।

এ ব্যাপরে সিপিআই এনজিও’র কক্সবাজার অফিসে গেলে এনজিও’টির টিম লিডার আনোয়ার হোসেন মোল্লা জানান, সিপিআই দুই দশক আগে মিয়ানমারের কার্যক্রম শুরু করে। বাংলাদেশে কাজ করার জন্য তারা সংশ্লষ্ট দপ্তরে আবেদন করেছে। বাংলাদেশে কাজ করার অনুমতি তাদের না থাকলেও দুই বছর আগে পালর্স বাংলাদেশ নামের এনজিওর পার্টনার হিসেবে তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাজ শুরু করে। এখন তাদের ১০টির মতো পার্টনার এনজিও আছে।

আইকে/এএসটি

 

: আরও পড়ুন

আরও