দক্ষিণখানে ত্রিপল মার্ডারে মামলা, স্বামীর খোঁজে পুলিশ
Back to Top

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২০ | ১৮ চৈত্র ১৪২৬

দক্ষিণখানে ত্রিপল মার্ডারে মামলা, স্বামীর খোঁজে পুলিশ

পরিবর্তন প্রতিবেদক ১:৫২ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২০

দক্ষিণখানে ত্রিপল মার্ডারে মামলা, স্বামীর খোঁজে পুলিশ

রাজধানীর দক্ষিণখানে প্রেমবাগান এলাকায় ত্রিপল মার্ডারের ঘটনায় দক্ষিণখান থানায় হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের পর থেকে নিহত মুন্নি বেগমের স্বামী প্রকৌশলী রকিব উদ্দিন ভূঁইয়া নিখোঁজ থাকায় সন্দেহের তালিকায় তাকে রেখেই তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।

রকিবকে ধরতে এরই মধ্যে পুলিশের পাশাপাশি ডিবি পুলিশ ও র‍্যাবের একাধিক দল মাঠে নেমেছে। তাকে ধরতে পারলেই আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উন্মোচন হবে বলেই মনে করছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

পুলিশের দক্ষিণখান জোনের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার হাফিজুর রহমান রিয়েল পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, ‘নিহত গৃহবধূর ভাই মুন্না বাদী হয়ে শনিবার রাতে দক্ষিণখান থানায় মামলা করেছেন। এর আগে ময়নাতদন্ত শেষে সন্ধ্যায় নিহতদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। প্রাথমিকভাবে আমরা নিহত নারীর স্বামীকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি। তাকে ধরতে পারলেই আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে।’

উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) নাবিদ কামাল শৈবাল বলেন, নিহত মুন্নির স্বামীকে খুঁজে বের করতে পারলেই সকল প্রশ্নের উত্তর মিলবে। এছাড়া অন্য সম্ভাব্য বিষয়গুলোও মাথায় রেখে আমরা তদন্ত করছি। আশা করি দ্রুত এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে দক্ষিণখানের প্রেমবাগান এলাকার ৮৩৮ নম্বর বাসার চতুর্থ তলা থেকে মা মুন্নী বেগম (৩৮) এবং তার দুই সন্তান ফারহান উদ্দিন (১২) ও লাইবা ভূঁইয়ার (৩) অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

জানা যায়, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন লিমিটেডের (বিটিসিএল) উপ-সহকারী প্রকৌশলী রকিব উদ্দিন ভূঁইয়া ওই বাসায় স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে থাকতেন। সম্প্রতি তিনি বিটিসিএলের গুলশান কার্যালয় থেকে উত্তরা কার্যালয়ে বদলি হন। দুই সন্তানসহ স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধারের পর থেকেই তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। মুন্নী রাকিবের খালাতো বোন। প্রায় এক যুগ আগে তারা প্রেম করে বিয়ে করেন। তবে ঘটনার পর থেকে রাকিবের এভাবে নিখোঁজ থাকা, সন্দেহের তীর তার দিকে নিয়ে গেছে।

নিহত মুন্নী বেগমের ভাই সোহেল আহমেদ বলেন, বুধবার থেকে আমরা বোন ও বোনের স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিলাম না। তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল। আমরা ভেবেছিলাম হয়তো কোথাও ঘুরতে গিয়েছে। শুক্রবার খোঁজ নিতে এসে বোন ও তার সন্তানদের মরদেহ পাই।

তিনি আরো বলেন, ওরা প্রেম করে বিয়ে করেছিল। দুজনের মধ্যে খুবই ভালো সম্পর্ক ছিল। আমরা এখনো বুঝতে পারছি না কারা এবং কেন তাদের হত্যা করলো। আর ঘটনার পর থেকে বোনের স্বামীও কেন নিখোঁজ রয়েছেন।

পিএসএস/এইচআর

 

রাজধানী: আরও পড়ুন

আরও