ইশরাকের ১৩ দফার ইশতেহারে ১৪৪ প্রতিশ্রুতি

ঢাকা, শনিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ১৭ ফাল্গুন ১৪২৬

ইশরাকের ১৩ দফার ইশতেহারে ১৪৪ প্রতিশ্রুতি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ১:০৩ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৮, ২০২০

ইশরাকের ১৩ দফার ইশতেহারে ১৪৪ প্রতিশ্রুতি

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন ১৩ দফার ইশতেহার ঘোষণা করেছেন।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে ঘোষিত ইশতেহারে ১৪৪ প্রতিশ্রুতি উপস্থাপন করেন।

দুর্নীতিমুক্ত প্রাতিষ্ঠানিক সেবা, সামাজিক ও মানবিক মূল্যবোধ, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, মানবাধিকার রক্ষা এবং ঐতিহ্য ও আধুনিকতার সম্মিলনে মাদকমুক্ত, যানজট দূষণমুক্ত, মশা ও জলাবদ্ধতা মুক্ত, ভারসাম্যমূলক ও পরিবেশ সম্মত বিশ্বমানের বসবাসযোগ্য আধুনিক নগরী গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বিএনপি মনোনীত এই মেয়রপ্রার্থী।

ইশরাক বলেন, আধুনিকতার সম্মেলনের সবার জন্য বাসযোগ্য একটি বিশ্বমানের অত্যাধুনিক মহানগরী গড়ে তোলা হবে।

তিনি বলেন, গণশুনানির মাধ্যমে নগরবাসীর সাথে আলোচনা সাপেক্ষে তাদের মতামতের ভিত্তিতে সিটি কর্পোরেশনের হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ করা হবে। হোল্ডিং ট্যাক্স সেক্টরকে সকল প্রকার দুর্নীতিমুক্ত করা হবে। সব ধরনের সেবা তাৎক্ষণিক প্রদানের লক্ষ্যে দ্রুত জবাবদিহিতামূলক অন স্টপ সার্ভিস চালু করা হবে।

ইশরাক হোসেন বলেন, আমি মেয়র নির্বাচিত হলে আমার সাথে সাক্ষাত প্রার্থীদের সাক্ষাতের সুযোগ সার্বক্ষণিকভাবে উন্মুক্ত রাখা হবে।

তিনি বলেন, আধুনিক বজ্র ব্যবস্থাপনার জন্য স্যানিটারি ল্যান্ডফিল গড়ে তোলা হবে। পরিচ্ছন্ন ঢাকা করতে রাত ১২টা থেকে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত সব ধরনের অপারেশন নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিশ্বের উন্নত শহরের মত ডোর টু ডোর ওয়েস্ট কালেকশন পদ্ধতিতে বজ্র সংগ্রহ অপসারণ করা হবে। বজ্র ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কম্পোজিট সার তৈরি ও বজ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি বলেন, বারবার রাস্তা খোড়াখুড়ি এবং রোড ডিভাইডার ভাঙ্গার ফলে বিশেষ করে বর্ষার মৌসুমে জনদুর্ভোগ ও সম্পদের ক্ষতি হয় সেই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।

ইশরাক বলেন, ঢাকা বাসের জনসংখ্যা প্রবৃদ্ধিকে বিবেচনায় নিয়ে রাজধানীর সকল ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে ৫০ বছরের একটি দীর্ঘমেয়াদী সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করে পর্যায়ক্রমে তা বাস্তবায়ন করা হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েস্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, ইকবাল হাসান টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, মেজর জেনারেল(অব.) রুহুল আলম চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবীব উন নবী খান সোহেল, বিএনপি নেতা আবদুস সালাম, ফজলুল হক মিলন, বিলকিস জাহান শিরিন, শামা ওবায়েদ, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, আফরোজা আব্বাস, সালাউদ্দিন আহমেদ, কাজী আবুল বাসার প্রমুখ।

এছাড়া জেএসডির আ স ম আবদুর রব, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, জাপার মোস্তফা জামাল হায়দার, গণফোরামের ড. রেজা কিবরিয়া, গণস্বাস্থ্যের ডা: জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিকল্প ধারার অধ্যাপক নুরুল আমিন বেপারী, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী, ঢাবির সাবেক ভিসি অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ, ড. মাহবুব উল্লাহ, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দপ্তর প্রধান জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এমএইচ/এসবি

 

রাজধানী: আরও পড়ুন

আরও