নির্বাচন বানচাল করতেই হামলা: ইশরাক

ঢাকা, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ৯ ফাল্গুন ১৪২৬

নির্বাচন বানচাল করতেই হামলা: ইশরাক

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৬:৩৭ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৬, ২০২০

নির্বাচন বানচাল করতেই হামলা: ইশরাক

আওয়ামী লীগ ধানের শীষের জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে নির্বাচন বানচাল করতেই হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে বিএনপির মেয়রপ্রার্থী ইশরাক হোসেন।

তিনি রোববার বেলা পৌনে ২টার দিকে রাজধানীর গোপীবাগ এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনার পর নিজ বাসায় জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ প্রতিক্রিয়া জানান।

ইশরাক বলেন, ধানের শীষের জনপ্রিয়তা দেখে নির্বাচন বানচালের জন্য সরকারের প্রার্থীরা এই ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে। এটা শুধুমাত্র নির্বাচনকে বানচাল করা এবং ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের একটা অপচেষ্টা মাত্র।

তিনি দাবি করেন, হামলার সময় তাদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল এবং গুলির শব্দও শোনা গেছে। এতে ২-৩ জন ক্যামেরাপারসনসহ বেশ কজন আহত হয়েছেন। আমার দিকেও ইটপাটকেল ছোড়া হয়েছে, আমার নেতাকর্মীরা সেসব থেকে আমাকে রক্ষা করেছেন।

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বিএনপি এই মেয়র প্রার্থী বলেন, আপনারা শান্ত থাকবেন, ঠাণ্ডা থাকেন। কোনো রকমের বিচলিত হওয়ার কারণ নেই।

এর আগে বিএনপির মেয়রপ্রার্থী ইশরাক হোসেনের কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর কর্মীদের সেন্ট্রাল উইমেন্স কলেজের গলিতে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। প্রায় ৪০ মিনিট ধরে এই সংঘর্ষের মধ্যে এক সংবাদকর্মীসহ উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১০/১২ জন আহত হয়েছেন।

এদিন টিকাটুলী মোড় থেকে ইশরাক হোসেন কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে মিছিল করে সেন্ট্রাল উইমেন্স কলেজের গলিতে ঢুকছিলেন।

এ সময় আওয়ামী লীগ–সমর্থিত ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের স্থানীয় কাউন্সিলর প্রার্থী রোকনউদ্দিন আহমেদের সমর্থকদের সঙ্গে ইশরাকের কর্মী–সমর্থকদের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়।

একপর্যায়ে দুই পক্ষই একে ওপরকে লক্ষ করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকেন। এসময় গুলির শব্দও শোনা গেছে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

আওয়ামী লীগের সমর্থকরা বলছেন, ইশরাকের মিছিল থেকে উসকানিমূলক স্লোগান দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, বিএনপির সমর্থকেরা বলছেন, তারা শান্তিপূর্ণ মিছিল নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় হঠাৎ করে হামলা চালানো হয়।

হামলার ঘটনার পরে ইশরাক হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনকে বানচাল করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ হামলা হয়েছে। আমরা হাটখোলা থেকে টিকাটুলি হয়ে আমার বাসার দিকে ফিরছিলাম জনসংযোগ শেষে। আমার বাসা থেকে আমরা মাত্র দুই মিনিট দূরে ছিলাম।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ–সমর্থিত স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থীর এখানে কার্যালয় রয়েছে। সেখান থেকে হামলা করা হয়েছে। আমি আমার কর্মীদের শান্ত থাকতে বলেছি। ১ ফেব্রুয়ারি ভোটের মাধ্যমে আমরা এর জবাব দেব।

এ ব্যাপারে য়ারী থানার পরিদর্শক (অপারেশনস) সুদীপ কুমার সাহা বলেন, ইশরাক হোসেন যে এ সময় প্রচারণা চালাবেন, তা পুলিশকে জানানো হয়নি। আগে জানতে পারলে তারা নিরাপত্তার জন্য ব্যবস্থা নিতে পারতেন।

ওএস/এসবি

আরও পড়ুন...
ইশরাকের প্রচারের সময় আ’লীগ-বিএনপির সংঘর্ষ

 

রাজধানী: আরও পড়ুন

আরও