প্রথম শিশু প্রহরে প্রাণ পেল বইমেলা
Back to Top

ঢাকা, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২০ | ১৬ চৈত্র ১৪২৬

প্রথম শিশু প্রহরে প্রাণ পেল বইমেলা

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৫:১৬ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২০

প্রথম শিশু প্রহরে প্রাণ পেল বইমেলা

অমর একুশে গ্রন্থমেলা- ২০২০'র প্রথম শিশু প্রহর ছিল শুক্রবার (০৭ ফেব্রুয়ারি)। আর তাই সকাল ১১টায় মেলার দ্বার খুলতেই শিশুদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছিল বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান চত্বর।

দুপুর ১টা পর্যন্ত চলা শিশুপ্রহরের পুরোটা সময়ই মেলা জুড়ে ছিল ক্ষুদে সোনামনিদের রাজত্ব। অভিভাবকদের হাত ধরে শিশুরা চষে বেড়িয়েছে মেলার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত।

বই দেখা ও বেচাকেনার পাশাপাশি মেলায় ছিল শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আসরও। রং-পেন্সিল ও তুলির আঁচড়ে খাতায় নিজেদের স্বপ্ন আঁকতে ব্যস্ত ছিল অনেক শিশু। আবার কেউ কেউ মেতে উঠেছিল খেলাধুলায়। সব মিলিয়ে আজকের সকালটা ছিল একান্তই শিশু কিশোরদের।

শিশু চত্বরে সিসিমপুরের বিভিন্ন চরিত্র কাছে থেকে দেখতে পেয়ে আনন্দে উদ্বেলিত ছিল ক্ষুদে সোনামানিরা। সিসিমপুরের নির্বাহী পরিচালক মো. শাহ আলম বলেন, শিশুদের বইমুখো করতেই সিসিমপুরের এমন পরিবেশনা।

লেখক পলাশ মাহবুব বলেন, শিশুপ্রহর শিশুদের বইপ্রেমী করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে বলে মনে করেন লেখকরা।

মেলাজুড়ে শিশুদের ছোটাছুটি আর উচ্ছাসের মাঝে তাদের জন্য প্রকাশিত বইয়ের বিক্রিও হয়েছে বেশ। আগামীকাল শনিবারও মেলায় থাকবে শিশু প্রহরের আয়োজন।

শিশু চত্বরে বাবার হাত ধরে হাঁটছিল ছোট্ট রাত্রি। তার আরেক হাতে ছিল বইয়ের ব্যাগ। বইমেলায় এসে কেমন লাগছে জানতে চাইলে লাজুক স্বরে রাত্রি বলে, বইমেলায় এসে আমার খুব ভাল লাগছে। দুইটা বই কিনেছি, আরো অনেক বই কিনবো। বাসায় গিয়ে সবগুলো আজই পড়ে শেষ করবো।

শিশুপ্রহর সম্পর্কে মেলা কমিটির সদস্য সচিব জালাল আহমেদ বলেন, শিশুদের জন্য এবার শিশু চত্বর বিশেষভাবে সাজানো হয়েছে। এছাড়া এখানে শিশুপ্রহরের দিনগুলোতে ‘তারুণ্যের বই’ব্যানারে বইপাঠে উৎসাহিত করা হবে শিশু-কিশোরদের।

শিশু একাডেমির পরিচালক আনজির লিটন বলেন, শিশু প্রহরের দিনটায় এই চত্বরের সার্বিক পরিবেশে আমি স্বর্গীয় আবহ অনুভব করি। শিশুতোষ প্রকাশনার মান নিয়ে নানা প্রশ্ন থাকলেও একটা সুশিক্ষিত আগামী প্রজন্ম গড়তে আমাদের অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে।

তিনি বলেন, বাচ্চাদের পছন্দকে প্রাধান্য দিয়ে সচেতনভাবে ভালো কিছু বই সন্তানদের হাতে তুলে দিতে হবে। যেসব বই তাদের চরিত্র ও জীবন গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। এবার অবশ্য শিশুতোষ প্রকাশনা সংস্থাগুলো বই প্রকাশের ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুকে প্রাধান্য দিয়েছে। এটি খুব প্রশংসনীয় উদ্যোগ।

ওএস/পিএসএস

 

শিল্প ও সাহিত্য: আরও পড়ুন

আরও