'বইমেলার সময়সীমা বাড়ার সুযোগ নেই'
Back to Top

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২০ | ২৬ চৈত্র ১৪২৬

'বইমেলার সময়সীমা বাড়ার সুযোগ নেই'

পরিবর্তন প্রতিবেদক: ৩:৩৭ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৩০, ২০২০

'বইমেলার সময়সীমা বাড়ার সুযোগ নেই'

অমর একুশে বইমেলার সময়সীমা এবার বাড়ানোর কোন সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবিবুল্লাহ সিরাজী।

তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন নির্বাচনের কারণে এবারের বইমেলা ২ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে। আর শেষ হবে ২৯ ফেব্রুয়ারি। একদিন পিছিয়ে শুরু হলেও মেলার সময়সীমা বাড়ানোর কোন সুযোগ নেই। কারণ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষের আয়োজনের কারণে সোহরওয়ার্দী উদ্যান মার্চের ৩ তারিখের আগেই ছেড়ে দিতে হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে ২০২০ সালের অমর একুশে গ্রন্থমেলা নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মেলার সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক বলেন, গত বছর মেলার নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন এক হাজার পুলিশ সদস্য। এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে দেড় হাজারে। সে সঙ্গে আনসার সদস্যের সংখ্যাও বেড়েছে।

তিনি আরো বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষে তার স্মৃতির প্রতি উৎসর্গ করা হয়েছে এবারের অমর একুশে গ্রন্থমেলা। মেলায় বঙ্গবন্ধুর ওপর রচিত ২৫টি গ্রন্থ নিয়ে মাসজুড়ে আলোচনা করা হবে, যা বাংলা একাডেমি প্রকাশ করতে যাচ্ছে। এছাড়া আগামী ২ ফেব্রুয়ারি মেলার উদ্বোধনী দিনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর তৃতীয় গ্রন্থ ‘আমার দেখা নয়াচীন’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করবেন।

হাবিবুল্লাহ সিরাজী বলেন, আগামী তিন বছরের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বাংলা একাডেমি। যার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুর্বণজয়ন্তী রয়েছে। এ সময় বঙ্গবন্ধুর ওপর নানা বিষয়ে একশ’ গ্রন্থ প্রকাশ করবে বাংলা একাডেমি।

এর আগে লিখিত বক্তব্যে মেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ও বাংলা একাডেমির পরিচালক জালাল আহমেদ বলেন, এবারের মেলায় সৃজনশীল প্রকাশনা সংস্থাগুলো থাকবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গণে। যেখানে ৪৩৪টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে ৬৯৮টি ইউনিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

আর বাংলা একাডেমি অংশে ১২৬টি প্রতিষ্ঠানকে ১৭৯টি ইউনিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে ৫৬০টি প্রতিষ্ঠানকে ৮৭৩টি ইউনিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি বাংলা একাডেমিসহ ৩৩টি প্রকাশনা সংস্থাকে ৩৪টি প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

জালাল আহমেদ বলেন, এবারই প্রথম সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে লিটল ম্যাগ চত্বর রয়েছে। সে একই স্থানে শিশু চত্বর তৈরি করা হয়েছে। মেলা চলাকালীন শিশু প্রহর ঘোষণা হবে। সে সঙ্গে এবারের মেলায় বাংলা একাডেমিসহ অংশগ্রহণকারী সব প্রতিষ্ঠান ২৫ শতাংশ কমিশনে বই বিক্রি করবে। মেলায় প্রবেশের জন্য বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে তিনটি পথ, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য ছয়টি পথ থাকবে। সে সঙ্গে থাকছে লেখক কর্ণার ও গ্রন্থ উন্মোচনের আয়োজন।

করোনা ভাইরাস প্রসঙ্গে জালাল আহমেদ বলেন, করোনা ভাইরাসের বিষয়ে এবারের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় সতর্কতা অবলম্বন করা হবে। আমাদের বৈঠকগুলোতে এ বিষয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা হয়েছে। আমরা স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করেছি। তারা আমাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন। এর জন্য ঢাকার সিভিল সার্জনের কার্যালয় আমাদের সাহায্য করবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমির সচিব মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, মেলার পৃষ্ঠপোষক বিকাশ লিমিটেডের সিএমও মীর নওবত আলী ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান ক্রসওয়ার্ক কমিউনিকেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ মারুফ।

পিএসএস

 

শিল্প ও সাহিত্য: আরও পড়ুন

আরও