প্রাথমিক শিক্ষাস্তরে মাতৃভাষা

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ জুন ২০১৮ | ৭ আষাঢ় ১৪২৫

প্রাথমিক শিক্ষাস্তরে মাতৃভাষা

গোলাম কিবরিয়া পিনু ৮:৩৫ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৮

print
প্রাথমিক শিক্ষাস্তরে মাতৃভাষা

শিক্ষার প্রাথমিক স্তরে একমাত্র মাতৃভাষার মাধ্যমেই শিক্ষা দেওয়া উচিত। এ ব্যাপারে কারও দ্বিমত থাকা উচিত নয়। প্রায় সব এগিয়ে থাকা দেশে প্রাথমিক শিক্ষা মাতৃভাষায় বা একমাত্র ভাষার মাধ্যমে দেওয়া হয়ে থাকে। উন্নত দেশ হিসেবে পরিচিত দেশগুলো, বিশেষত ইংল্যান্ড, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, জাপান, ফ্রান্স, জার্মানিতে প্রাথমিক স্তরে প্রথম ভাষা ছাড়া দ্বিতীয় কোনো ভাষায় শিক্ষা দেওয়া হয় না। অথচ আমাদের দেশে ভাষা বিষয়ে বিভিন্নমুখী বিভ্রান্তি ছড়িয়ে বাংলা ভাষাকে সর্বক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত না করার মানসিকতা অনেক ক্ষেত্রে আমরা লক্ষ করছি। শিক্ষা ও অন্য ক্ষেত্রে ভাষাবিষয়ক নীতি বারবার পরিবর্তনের ফলে জনসাধারণের মধ্যেও এ বিষয়ে নানা বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়ছে। এর ফলে প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রেও বাংলা ভাষাকে কোণঠাসা করার প্রক্রিয়া লক্ষ করা যাচ্ছে। এ এক বেদনাবিহ্বল পরিস্থিতি। এ পরিস্থিতির শিকার হচ্ছে কোমলমতি শিশুরা।

শিক্ষাকে আজ ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, লাগামহীন ঘোড়ায় পরিণত করে। আর এ ঘোড়ায় চড়ে শিশুরা কোথায় যাচ্ছে? মুনাফালোভী কায়েমি স্বার্থবাদীদের আওতায় নানামুখী ভিন্ন ভিন্ন শিক্ষাব্যবস্থা তৈরি করা হচ্ছে, বিভিন্ন পরিধিতে বিভিন্নভাবে। প্রাথমিক শিক্ষায় মাতৃভাষাকে গুরুত্বহীন করে কোথাও কোথাও ইংরেজি ও আরবি ভাষাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বেশি।

নানা রকমের প্রাথমিক শিক্ষাবাণিজ্যেও আওতায় টেনে নিয়ে বাজারজাত করা হচ্ছে। ‘ইংরেজি মাধ্যম’, ‘কিন্ডারগার্টেন’, ‘প্রি-ক্যাডেট মাদ্রাসা’ নামের তথাকথিত প্রাথমিক শিক্ষালয় নগরে-শহরে-বন্দরে ব্যবসায়ী মনোবৃত্তিতে গড়ে উঠেছে। যার বেশিরভাগই প্রাথমিক শিক্ষার মূল দর্শন থেকে বহু দূরবর্তী অবস্থানে রয়েছে। এসব শিক্ষালয়ের পাঠ্যসূচির কেনো সামঞ্জস্য নেই, নেই শিশু মানসিকতার প্রতি লক্ষ রেখে শিক্ষায় গুরুত্ব প্রদান। এসব তথাকথিত শিক্ষালয়ে বাংলা ভাষাকে অনেকাংশে অবজ্ঞা আর অবহেলায় টেনে নিয়ে এক কোণায় ফেলে রাখা হচ্ছে। শিক্ষার প্রাথমিক স্তরে বাংলা ও ইংরেজির মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করে এক উদ্ভট পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এ জন্য দায়ী আমাদের অবৈজ্ঞানিক এবং অযুক্তিপূর্ণ মন-মানসিকতা।

ভাষাবিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ ও শরীর-বিজ্ঞানীরা বহু পরীক্ষা করে অভিমত দিয়েছেন, প্রাথমিক স্তরে মাতৃভাষাই শিক্ষার একমাত্র বাহন হওয়া উচিত। জাতিসংঘের ইউনেস্কোর পক্ষ থেকে প্রাথমিক শিক্ষার ওপর অনেক গবেষণা ও সমীক্ষা করা হয়েছে। এসব গবেষণা ও সমীক্ষায় প্রাথমিক স্তরে একটিমাত্র ভাষায় শিক্ষাদানের নির্দেশনা রয়েছে। ‘প্ল্যানিং ইন দ্য প্রাইমারি স্কুল কারিকুলাম’ গ্রন্থে মাতৃভাষায় শিক্ষাদানকে বিশেষভাবে যুক্তিযুক্তভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

ইংল্যান্ডের রিডিং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা বিজ্ঞানের সাবেক প্রধান অধ্যাপক ড. ডি এ উইলকিনস, ভাষা সম্পর্কিত বহু গবেষণা গ্রন্থের লেখক ড. ফ্রাংক গ্রিটনার, হারভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা বিজ্ঞানের সাবেক অধ্যাপক জি বি ক্যারোল, জার্মানির ইংরেজি ভাষার শিক্ষক পিটার ডয়ী, ভারতের ভাষা ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক পট্রনায়ক প্রমুখ প্রাথমিক স্তরে মাতৃভাষা ছাড়া ভিন্ন দ্বিতীয় কোনো ভাষা শিক্ষার পক্ষে যুক্তি দেননি। স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়ের মনস্তত্ব বিভাগের অধ্যাপক স্টাফ ডরনিক, ভাষাবিদ জে পপারসন প্রমুখ বলেছেন, প্রাথমিক স্তরে দুটি ভাষায় শিক্ষা শিশুকে নিম্নমানের শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত করে দেয়, শিশুর স্মৃতিশক্তি হ্রাস পায়, উপলব্ধির ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, শব্দ ভাণ্ডারের ওপর দখল বাড়ায় না, শিশুর বিকাশের পথ বাধাগ্রস্ত হয়। প্রাথমিক স্তরে মাতৃভাষা ভিন্ন অন্য কোনো ভাষা শেখালে শিশুর অন্য বিষয়ে শিক্ষার ক্ষমতা ও দক্ষতা হ্রাস পায়। যে শিশু মাতৃভাষায় দক্ষতা অর্জন করে থাকে, সে সহজেই মাতৃভাষা ছাড়া অন্য বিদেশি ভাষা শিখে নিতে পারে।

শরীর-বিজ্ঞানীরাও তাদের গবেষণালব্ধ অভিমত দিয়ে বলেছেন, প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার বাহন একমাত্র মাতৃভাষা হওয়া উচিত। তারা বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন, শিক্ষার ওপর স্নায়ুতন্ত্রের সম্পূর্ণ আধিপত্য থাকে। স্নায়ুজগৎ ছাড়া ভাষা শিক্ষা অসম্ভব। স্নায়ুতন্ত্রের এলাকাগুলো খুব প্রণালীবদ্ধ, একের সঙ্গে অন্য পরস্পর জড়িত। মানব শিশুর শিক্ষায় যদি এ প্রণালী নষ্ট হয়, তবে তাতে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। শিশু ভাষা শেখে পরিবেশ-প্রতিবেশ থেকে। শিশুর পরিবেশে থাকে স্বাভাবিকভাবে তার মাতৃভাষা।

মা ও পরিবারের অন্যরা শিশুদের আদর করে, কথা বলে, ঘুম পাড়ায়, এটা-ওটা চিনিয়ে দেয় মাতৃভাষায়। মানব শিশুর কান দিয়ে শোনার এলাকা ও কথা বলার এলাকা খুবই কাছাকাছি। মাতৃভাষায় পরিচিত ধ্বনিরাশি সংজ্ঞাবহতন্ত্র দিয়ে শ্রবণনিয়ন্ত্রণ এলাকা হয়ে কথা বলার এলাকায় অনায়াসে মুদ্রিত হয়। শিশু শুনে, বোঝে ও বলে ভাব প্রকাশের দক্ষতা অর্জন করে। এভাবে স্নায়ুতন্ত্রের সঙ্গে মাতৃভাষাগত পরিবেশের সম্পর্ক রয়েছে। ভিন্ন ভাষা চাপিয়ে দিলে প্রাথমিক পর্যায়ে শিশুর শিক্ষা শুধু বাধাপ্রাপ্ত হয় না, শিশুর বুদ্ধিমত্তার বিকাশও বিলম্বিত হতে পারে।

আমরা আমাদের প্রিয় শিশুদের শিক্ষার নামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে মাতৃভাষার মূল ছায়া থেকে ভিন্ন ভাষার চোরাস্রোতে ভাসিয়ে দিতে চাই না, যা নৈতিক দিক থেকে শিক্ষামূলক মনোভঙ্গির পরিপূরক নয়। সীমিতসংখ্যক উচ্চাভিলাষী পরিবার বা লোকদের স্বার্থে সমগ্র দেশের পুরো শিক্ষাব্যবস্থার ওপর অপ্রয়োজনীয় ও যুক্তিহীন চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা মেটানোর জন্য প্রাথমিক শিক্ষাস্তরের সব শিশুদের ওপর ইংরেজি বা আরবি চাপিয়ে দেওয়া সমর্থনযোগ্য নয়। মাধ্যমিক স্তরের আগ পর্যন্ত মাতৃভাষা ছাড়া ভিন্ন ভাষা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। ভিন্ন ভাষা অন্যস্তরে বা অন্যভাবে শেখা যেতে পারে। মাতৃভাষার শিক্ষা সাবলীল হলে অন্য ভাষা ভালো করে আয়ত্তে আনা সম্ভব। অন্য ভাষা শিখবার আগে মাতৃভাষায় প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের পথ প্রশস্ত করার বিকল্প নেই। সম্প্রতি বিশেষঙ্গদের মতামতে জানা যায়, মাতৃভাষায় শিশুদের পটন-পাঠন ও শিক্ষা বিস্তৃত হলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি পায়।

প্রাথমিক শিক্ষা অন্য দেশের মতো আমাদের দেশেও মাতৃভাষায় আরও উন্নত করতে হবে। নিরক্ষরতা দূরীকরণ ও প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত লাখ-কোটি শিশুকে শিক্ষার আওতায় নিয়ে আসার জন্য মাতৃভাষার বিপরীতে অন্য ভাষা অবলম্বন কোনোক্রমেই যুক্তিযুক্ত নয়। এতে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের ধারা ব্যাহত হবে। কিছু লোক আছেন, যারা ভাবেন, ইংরেজি ভাষার দক্ষতার অভাবেই আমাদের দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব হচ্ছে না।

কিন্তু প্রায় দুইশ বছর ইংরেজি শেখা-বলা-লেখার শতচেষ্টা করেও আমরা এখনো অন্য দেশের তুলনায় শুধু শিক্ষার ক্ষেত্রে নয়, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও উন্নয়নের পেছনের সারিতেই রয়েছি। দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য অনেক ব্যবস্থাই উন্নয়ন প্রয়োজন। ইংরেজি শিক্ষার মান নিচু হয়ে গেছে বলে অনেকে কাতরান! কিন্তু তারা কি জানেন না, শুধু ইংরেজি কেন, মাতৃভাষার মান কি শিক্ষা ক্ষেত্রে বেড়েছে? অথবা শিক্ষার সামগ্রিক মান কি আমরা এখনো উন্নত পর্যায়ে কাঙ্ক্ষিতভাবে নিয়ে আসতে পেরেছি? শিক্ষাসংক্রান্ত বহু সমস্যা এখনো অনেক ক্ষেত্রে আমরা দূর করতে পারিনি।

ইংরেজি ভাষায় অজ্ঞ থেকেও চীন ও জাপান আজ জ্ঞান-বিজ্ঞানসহ শিল্প বাণিজ্যে বিশ্বে শীর্ষস্থানীয় অবস্থানে রয়েছে। সর্বাধুনিক কম্পিউটার, জৈবপ্রযুক্তি থেকে শুরু করে জ্ঞান-বিজ্ঞানের এমন কোনো শাখা নেই যেখানে চীনা ও জাপানিরা বিদেশি ভাষার ওপর নির্ভরশীল হয়ে থাকেনি। সেখানে প্রয়োজনে অনুবাদব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। জাপানি ও চীনা ভাষার ধারণশক্তি বাংলা ভাষার চেয়ে বেশি নয়। বাংলা ভাষার শক্তি অনেক উন্নত ভাষার চেয়েও বেশি। কিন্তু তা আমরা ভুলে যাই! আরও ভুলে যাই যে, বাংলা ভাষার সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের বাঙালিত্ব, জাতীয় সত্তা, মুক্তিযুদ্ধের দর্শনগত অবস্থান ও ভাষা আন্দোলনের অঙ্গীকার।

উন্নত দেশ চীন, জাপানের উদাহরণ শুধু না দিয়ে আরও উদাহরণ যোগ করি; যেসব দেশ আমাদের মতোই অনুন্নত ও পশ্চাদপদ ছিল। থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, কোরিয়া, হংকং, ইন্দোনেশিয়া কয়েক বছরে বেশ উন্নত হয়েছে আমাদের দেশের চেয়ে অনেক এগিয়ে গেছে। এসব দেশে মাতৃভাষার মাধ্যমেই নিরক্ষরতা দূর করা হয়েছে, আধুনিক প্রযুক্তিবিদ্যাসহ অন্য ব্যবস্থার উন্নতি ঘটেছে। কিন্তু তারা ইংরেজি বা ভিনদেশি ভাষার ওপর নির্ভরশীল হয়ে উন্নতি করেনি।

তবে আমরা কেন ভাষা বিষয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে উন্নয়নের অন্য শর্তপূরণ না করে বাংলা ভাষাকে দূরে ঠেলে রেখে, ইংরেজি জানা কিছু লোকের ইচ্ছা পূরণের দাবিতে, ভিনদেশি চশমা পরে ভাববার ইংরেজি ছাড়া আমাদের ভবিষ্যৎ ধুলামাখা ও বিবর্ণ! ইংরেজি ভাষায় খানিকটা ব্যুৎপত্তি লাভ করা মানেই  শিক্ষিত হওয়া নয়। আর সব শিক্ষিত মানুষকে ইংরেজিতে ব্যুৎপত্তি অর্জন করতে হবে, এ ধরনের উন্নাসিক মানসিকতা সমর্থন করা যায় না। শিক্ষার সর্বস্তরে ইংরেজি চাপিয়ে দিয়ে ছাত্রদের শিক্ষার মূল ভিত্তিতে সম্পর্কিত না করে শুধুই বিব্রত করার কোনো যুক্তি নেই।

রবীন্দ্রনাথ তার জীবন-অভিজ্ঞতা দিয়ে বলেছেন, আমি সম্পূর্ণ বাংলা ভাষার পথ দিয়েই শিখেছিলাম ভূগোল, ইতিহাস, গণিত, কিছু পরিমাণ প্রাকৃত বিজ্ঞান, আর সেই ব্যাকরণ যার অনুশাসনে বাংলা ভাষা সংস্কৃত ভাষার আভিজাত্যের অনুকরণে সাধু ভাষার কৌলিন্য ঘোষণা করত। এই শিক্ষার আদর্শ ও পরিমাণ বিদ্যা হিসেবে তখনকার মেট্রিকের চেয়ে কম দরের ছিল না। আমার ১২ বছর বয়স পর্যন্ত ইংরেজি-বর্জিত এই শিক্ষাই চলেছিল। তার পরে ইংরেজি-বিদ্যালয়ে প্রবেশের অনতিকাল পরেই আমি ইস্কুল-মাস্টারের শাসন হতে ঊর্ধ্বশ্বাসে পলাতক। এর ফলে শিশুকালেই বাংলা ভাষার ভাণ্ডারে আমার প্রবেশ ছিল অবারিত। সে ভাণ্ডারে উপকরণ যত সামান্যই থাক, শিশুমনের পোষণের ও তোষণের পক্ষে যথেষ্ট ছিল।’

আমাদের শিশুদের শিক্ষিত করার লক্ষ্যে শিক্ষার প্রাথমিক স্তরে একমাত্র মাতৃভাষা-বাংলার মাধ্যমেই শিক্ষার সুযোগ অবারিত করা প্রয়োজন। মাতৃভাষা-বাংলার মাধ্যমেই মানবিক-নৈতিক-বৈজ্ঞানিক শিক্ষার বাধামুক্ত পথ উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর করতে হবে, সেই উজ্জ্বলতায় শিশুরা হয়ে উঠবে একেকজন আলোকিত মানুষ। আর এই আলোকিত মানুষরা কখনো মাতৃভাষাকে অবজ্ঞা করবে না, অবজ্ঞা করবে না দেশ ও দেশের ভবিষ্যতকে।

ড. গোলাম কিবরিয়া পিনু : কবি, প্রাবন্ধিক ও গবেষক।
gkpinu@yahoo.com

 
.




আলোচিত সংবাদ