‘ছপাক’ থেকেও পিছিয়ে কঙ্গনার ‘পাঙ্গা’

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ১৩ ফাল্গুন ১৪২৬

‘ছপাক’ থেকেও পিছিয়ে কঙ্গনার ‘পাঙ্গা’

পরিবর্তন ডেস্ক ৫:৪০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৬, ২০২০

‘ছপাক’ থেকেও পিছিয়ে কঙ্গনার ‘পাঙ্গা’

রাতারাতি বলিপাড়ায় দুই জনপ্রিয় নায়িকার ছবি নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। আর তার আঁচ এসে পড়েছে বক্স অফিসেও। দীপিকা পাডুকোন অভিনীত ‘ছপাক’ এবং কঙ্গনা রানাওয়াতের ছবি ‘পাঙ্গা’ নিয়ে বলিপাড়া এখন বিতর্কের বেড়া জ্বালে। দীপিকার ‘ছপাক’ থেকেও পিছিয়ে কঙ্গনার অভিনীত ‘পাঙ্গা।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেঘনা গুলজার পরিচালিত দীপিকা পাডুকোন অভিনীত ‘ছপাক’ এর বক্স অফিসে প্রথম দিনের রোজগার ছিলো প্রায় ৫ কোটি টাকা। কঙ্গনা রানাওয়াতের ছবি ‘পাঙ্গা’ মুক্তি পেয়েছে গত কাল। কঙ্গনা মানেই একটু অন্য ধাঁচের ছবি। তাই প্রত্যশা বেশি ছিলো ভক্তদের। কঙ্গনার অভিনয় মনে দাগ কাটলেও বক্স অফিসের অঙ্কে শুরুটা মোটেও ভালো হলো না ‘পাঙ্গা’ এর। ছপাক থেকেও পিছিয়ে কঙ্গনার অভিনীত পাঙ্গাপ্রথম দিনে এই ছবির আয় ছপাকের প্রথম দিনের আয়ের প্রায় অর্ধেক।

ট্রেড অ্যানালিস্টরা বলেছেন, এখনো পর্যন্ত পাঙ্গার আয় ২ কোটি ৭ লক্ষ টাকা। অন্য দিকে, কাল মুক্তি পাওয়া আর একটি ছবি ‘স্ট্রিট ডান্সার’ কিন্তু তুলনামূলকভাবে ভালো ব্যবসা করেছে। বরুণ-শ্রদ্ধা অভিনীত এই ছবির প্রথম দিনের পর আয় ১০ কোটি ২৬ লক্ষ টাকা। দু’টি ছবিই নারীকেন্দ্রিক। বেশ কিছু দিন ধরেই ‘পাঙ্গা’ এবং ‘ছপাক’ নিয়ে তুলনা চলছিলো সোশ্যাল মিডিয়ায়। এর পিছনে রয়েছে বেশ কয়েকটি কারণ। দু’টি ছবিই নারীকেন্দ্রিক।

অ্যাসিড আক্রান্ত লক্ষ্মী আগরওয়ালের গল্প শুনিয়েছিলো ‘ছপাক’। অন্য দিকে ‘পাঙ্গা’ও এক কবাডি খেলোয়াড়ের হার-জিতের গল্প বলেছে। দুই পরিবারের প্রধান চরিত্রই মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসা দুই মেয়ে। অস্তিত্ব প্রমাণের তাগিদে যারা মুখোমুখি হয় চ্যালেঞ্জের। দুই ছবিতেই তথাকথিত হিরো নেই। কঙ্গনা এবং দীপিকাই নিয়েছেন হিরোর জায়গা।‘পাঙ্গা’ এবং ‘ছপাক’ এর পরিচালক মহিলা। ‘পাঙ্গ’ এর পরিচালক অশ্বিনী আইয়ার তিওয়ারি, অন্য দিকে ‘ছপাক’ এর পরিচালক মেঘনা গুলজার।

এখানেই শেষ নয়, দীপিকার জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার ঘটনা নিয়ে যখন গোটা সোশ্যাল মিডিয়া দুই ভাগ হয়ে গিয়েছিলো তখন দীপিকার পাশে নামজাদা কিছু বলি তারকা দাঁড়ালেও দীপিকার উল্টো সুরেই কথা বলেছিলেন বলি টাউনের ‘কুইন’।

তিনি বলেছিলেন, ‘জেএনইউ ক্যাম্পাসে দীপিকার যাওয়া একেবারেই তার গণতান্ত্রিক অধিকার। সে খুব ভালো করেই জানে, কী করছে, কেনো করছে সে বিষয়ে আমার কোনো মতামত থাকা উচিত নয়। আমি তাকে বলতেও পারি না যে তার কি করা উচিত আর কি করা উচিত নয়।’

কিন্তু তিনি হলে কী করতেন? ‘এই প্রশ্নে কঙ্গনার জবাব ছিলো, আমি অবশ্যই যেতাম না। দাঁড়াতাম না ‘টুকড়ে টুকড়ে গ্যাং’য়ের পাশে। যারা দেশভাগ করতে চায়, তাদের প্রতি আমার কোনো সহানুভূতি নেই। সেনাকর্মীরা মারা গেলে যারা উৎসব করে, তাদের কখনোই আমি ক্ষমতায় আনতে চাই না।’

বলিপাড়ার একটা অংশের মত ছিলো, কঙ্গনা আসলে বিজেপির সুরেই কথা বলছেন। যাই হোক, প্রথম দিনে ‘ছপাক’ এর থেকে পিছিয়ে থাকলেও সপ্তাহান্তে ‘পাঙ্গা’র আয় কী দাঁড়াবে? তার অপেক্ষায় মুখিয়ে আছে বলিপাড়ার ভক্তদের একাংশ। 

এসকে

 

তারায় তারায়: আরও পড়ুন

আরও