উপকূলে আন্তর্জাতিক জলচর পাখি গণনা শুরু

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ১৫ ফাল্গুন ১৪২৬

উপকূলে আন্তর্জাতিক জলচর পাখি গণনা শুরু

ভোলা প্রতিনিধি ৬:১২ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ০৯, ২০২০

উপকূলে আন্তর্জাতিক জলচর পাখি গণনা শুরু

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পাখি পর্যবেক্ষক ইনাম-অল হকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ বার্ড ক্লাব (বিবিসি) এবং চ্যানেল আইয়ের প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের ৮ সদস্যের একটি দল মাছ ধরার ট্রলার নিয়ে আন্তর্জাতিক জলচর পাখি গণানা শুরু করেছে।

বৃহস্পতিবার কুয়াশা ঢাকা শীতের সকালে মাছ ধরার ট্রলারে করে ৯ জনের দলটি ভোলার খেয়াঘাট থেকে জলপাখি গণানা কার্যক্রম শুরু করেন।

ভোলা, লক্ষীপুর, নোয়াখালী ও পটুয়াখালী জেলার উপকূলীয় পাখি সমৃদ্ধ ২৫-৩০টি চরে ৭ দিনব্যাপী চলবে এ জলচর পাখি গণনা কাজ। বিশেষ করে বঙ্গোপসাগরের কোলঘেঁষা ভোলা, মনপুরা, হাতিয়া, চর-বারি, নিঝুম দ্বীপ, দমার-চর, চর-শাহজালাল ও ঢাল-চরসহ বেশকিছু চরের জলবিরল অংশে চলবে এ কার্যক্রম।

পাখি পর্যবেক্ষক ইনাম-অল হক জানান, ১৯৮৭ সাল হতে উৎসাহী পাখিপ্রেমী, পর্যবেক্ষক ও গবেষকদের স্বেচ্ছাশ্রমে বাংলাদেশের পাখি-সমৃদ্ধ জলাভূমিতে এ গণনা কাজ পরিচালিত হয়ে আসছে। বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন জলাশয়ের প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের জন্য জানুয়ারি মাসের ২য় ও ৩য় সপ্তাহে সেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই জলচর পাখি গণনা করা হয়।

তিনি আরো জানান, ওয়েটল্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা এ গণনার উপাত্তসমূহ পুস্তক ও পুস্তিকা আকারে প্রকাশ করে থাকে যা পৃথিবীর জলচর পাখির গুরুত্বপূর্ণ দলিল বলে গণ্য করা হয়।

পাখি পর্যবেক্ষকদের মতে বিশ্বের ‘মহাবিপন্ন’ পাখি চামচঠুঁট-বাটান এবং সংকটাপন্ন পাখি দেশি গাঙচষা, বড় নট ও বড়গুটি ঈগল ছাড়াও অনেক প্রজাতির হাঁস ও সৈকত পাখি শীতে ভোলার চরগুলোতে এসে বসবাস করে। তাই বিশ্বের বহু বিপন্ন পাখির টিকে থাকার জন্য এই অঞ্চলটি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

ঢাকা থেকে ৮ জানুয়ারি যাত্রা শুরু করা দলটি উপকূলের জলচর পাখি গণনা কাজ শেষে ১৬ জানুয়ারি আবার ঢাকা ফিরবেন।

এইচআর

 

সমগ্রবাংলা: আরও পড়ুন

আরও