‘ডাকসু ভিপির ওপর নির্যাতন ছাত্রসমাজের জন্য কলঙ্ক’

ঢাকা, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ১৪ ফাল্গুন ১৪২৬

‘ডাকসু ভিপির ওপর নির্যাতন ছাত্রসমাজের জন্য কলঙ্ক’

ভোলা প্রতিনিধি ৫:৪৯ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৪, ২০১৯

‘ডাকসু ভিপির ওপর নির্যাতন ছাত্রসমাজের জন্য কলঙ্ক’

সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ডাকসুর ভিপি নূরুল হক নুরুর ওপর হামলার ব্যাপারে বলেছেন, ‘এটা অন্যায় ও গ্রহণযোগ্য নয়। যারা এ ঘটনায় জড়িত প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তাদের বিচারের আওতায় আনা হবে। একজন ডাকসুর ভিপির গায়ে হাত তোলা সমস্ত ছাত্রসমাজের জন্য কলঙ্ক।’

মঙ্গলবার দুপুরে ভোলা সদর উপজেলার বাংলাবাজারে এনআরবিসি ব্যাংক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। ব্যাংকের চেয়রম্যান এসএম পরভেজ তমাল অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

তিনি বলেন, ‘বিজয়ের মাসে গণতন্ত্র হত্যাকারীরাই গণতন্ত্র হত্যা দিবস পালন করে। তাদের ধিক্কার দেয়া ছাড়া আর কিছু করার নেই।’

তোফায়েল বলেন, ‘যেই দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান সেনাবাহীনির প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি হয়েছেন। তারা করছে গণতন্ত্র হত্যা দিবস। অথচ তারা (বিএনপি) গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে ৬টি আসন পেয়েছে।’

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আরো বলেন, ‘যেই দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাজাপ্রাপ্ত হয়ে পলাতক রয়েছেন। যে দলের প্রধান খালেদা জিয়া অর্থ আত্মসাতের কারণে জেলে। তারাই গণতন্ত্র হত্যা দিবস পালন করছে।’

সাবেক এই ডাকসু ভিপি স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘আমরা যখন ছাত্র রাজনীতি করতাম, তখন আমাদের মত ও পথের ভিন্নতা ছিলো। তারপরেও আমরা এক টেবিলে বসে ’৬৯ সালে ৪ জানুয়ারি ১১ দফা কর্মসূচি প্রণয়ণ করেছিলাম।’

তিনি আরো বলেন, ‘ডাকসুর ভিপি যখন কেউ হয়, সে তখন সবার নির্বাচিত নেতা। সেই ডাকসু অফিসে ডুকে নুরুর ওপর যেভাবে নির্যাতন করা হয়েছে এটা অমানবিক। আমাদের ছাত্রজীবনে এমন করে এনএসএফ ডাকসু অফিসে আক্রমণ করেছিলো। কিন্তু সেই আয়ুব খান-এনএসএফের পতন হয়েছে। সেই শিক্ষা কেউ গ্রহণ করে না।’

বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সহচর তোফায়েল বলেন, ‘যে বাংলাদেশকে একসময় বলা হতো দরিদ্র দেশের মডেল। সেই দেশকে এখন বলা হয় বিশ্বয়কর উত্থান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতেত্বে দেশ এগিয়ে চলছে দুর্বার গতিতে।’

এতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, এনআরবিসি ব্যাংকের পরিচালক ড. নুরুন নবী, পরিচালক একেএম মোস্তাফিজুর রহমান, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, জলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মমিন টুলু, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক  মইনুল হোসেন বিপ্লব প্রসুখ।

এইচআর

 

সমগ্রবাংলা: আরও পড়ুন

আরও