ভোলা-ঢাকা নৌরুটে আসছে দ্রুতগতির জাহাজ
Back to Top

ঢাকা, বুধবার, ২৭ মে ২০২০ | ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

ভোলা-ঢাকা নৌরুটে আসছে দ্রুতগতির জাহাজ

ভোলা প্রতিনিধি ১২:৪১ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ০৭, ২০১৯

ভোলা-ঢাকা নৌরুটে আসছে দ্রুতগতির জাহাজ

শিগগিরই ভোলা-ঢাকা রুটে চালু হতে যাচ্ছে ক্যাটাম্যারান টাইপের চেয়ার সিস্টেম দ্রুতগতির জাহাজ সার্ভিস। ইতোমধ্যে ‘গ্রিন লাইন ওয়াটার ওয়েজ’ কোম্পানিকে অনুমোদন দিয়েছে বিআইডব্লিউটিসি।

সার্ভিসটি চালু হলে খুব কম সময়ে ঢাকা পৌঁছানোর পাশাপাশি দিনের বেলায় নৌপথে আসা-যাওয়ার সুযোগ পাবে ভোলাবাসি। তাই দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে এমনটা মনে করছেন স্থানীয়রা।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে আজ বৃহস্পতিবার সকালে ভোলার জেলা প্রশাসক মাসুদ আলম ছিদ্দিক জানান, ভোলা-ঢাকা নৌরুটে জাহাজ চালানোর জন্য গ্রীন লাইন ওয়াটার ওয়েজে'র বিআইডব্লিউটিসি'র কাছে অনুমতি চেয়েছিল। গতকাল মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে এর অনুমোদন দেয়া হয়। পাশাপাশি ওই বৈঠকে ভোলার সাথে সহজ ফেরি যোগাযোগের লক্ষ্যে লক্ষীপুরের মতিরহাট পয়েন্ট ফেরীঘাট স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ মাসের মধ্যেই এ সার্ভিস দুটি চালু হওয়ার কথা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

জেলা প্রশাসক আরো জানান, গ্রীন লাইন ওয়াটার ওয়েজের দ্রুতগামী জাহাজ সার্ভিসটি প্রতিদিন ভোলার ইলিশা ঘাট থেকে দুপুর ২টা ৩০ মিনিট এবং ঢাকা সদরঘাট থেকে সকাল সাড়ে ৮টায় ছেড়ে যাবে। এতে করে দিনের বেলায় যাতায়াত করতে পারবে বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের বিচ্ছিন্ন দ্বীপ জেলার মানুষ। এ সার্ভিসের জন্য শিগগিরই বিআইডব্লিউটিএ নতুন একটি টার্মিনাল স্থাপন করা হবে।

এদিকে গ্রিন লাইনের দ্রুতগতির এই জাহাজ সার্ভিস শুরু হলে সময় অনেক কম লাগবে বলে জানিয়েছে বিআইডব্লিটিএ উপ-পরিচালক মো. কামরুজ্জামান। তিনি বলেন, ভোলার খেয়াঘাট থেকে ঢাকার নৌপথের রুটে দুরত্ব ১৫৫ কিলোমিটার। সেখানে লঞ্চ যোগে যেতে সময় লাগে ১১ঘন্টা। কিন্তু গ্রিন লাইন জাহাজ সার্ভিস যাবে ইলিশা ঘাট থেকে। সেখানে ৩০ কিলোমিটার কমে গিয়ে দাঁড়াবে ১২৫ কিলোমিটারে। তাই লঞ্চ থেকে কমপক্ষে ৪/৫ ঘন্টা সময় কম লাগবে।

অন্যদিকে ভোলা-লক্ষীপুর দুরত্ব ২৬ কিলোমিটার। সেখানে মজু চৌধুরীর ঘাট থেকে মতিরহাট এলাকায় ফেরীঘাট স্থাপন করা হলে সেখানে দুরত্ব কমে যাবে ১২ কিলোমিটার। এতে করে ফেরিতে সময় লাগবে এক ঘন্টা।

উল্লেখ্য, রাজধানীর সাথে ভোলার নৌপথে যোগাযোগের একমাত্র সহজ মাধ্যম নৌযান। প্রতিদিন জেলা সদরসহ জেলার সাত উপজেলা থেকে ১৪টি লঞ্চ যাচ্ছে। একইভাবে আসছেও ১৪টি। উভয় স্থান থেকে রাতেই এসব লঞ্চ চলাচল করছে এবং ভোরে গন্তব্যে গিয়ে পৌঁছায়। নৌযানের উপর নির্ভরশীল এ অঞ্চলের যাত্রীরা।

যাত্রীরা জানান, লঞ্চের পাশাপাশি দিনের বেলায় গ্রীন লাইন চালু হলে একদিকে যেমন যোগাযোগ মাধ্যম সহজ হবে অন্যদিকে সময়ও বাঁচবে।

এমকে

 

: আরও পড়ুন

আরও