করোনা: জাপানের জাহাজ থেকে দেশে ফিরেছেন মার্কিনিরা
Back to Top

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২০ | ১৮ চৈত্র ১৪২৬

করোনা: জাপানের জাহাজ থেকে দেশে ফিরেছেন মার্কিনিরা

পরিবর্তন ডেস্ক ৩:৩৯ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২০

করোনা: জাপানের জাহাজ থেকে দেশে ফিরেছেন মার্কিনিরা

জাপানের ইয়োকোহামা বন্দরে কোয়ারেন্টিন করা প্রমোদতরী ডায়মন্ড প্রিন্সেস থেকে দুইটি উড়োজাহাজে করে মার্কিন নাগরিকদের সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

সোমবার ভোরে টোকিওর হ্যানেডা বিমানবন্দর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের পাঠানো বিমান ছেড়ে যায় বলে জানিয়েছে কিওডো নিউজ এজেন্সি।

বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনে করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে জাপানের ইয়োকোহামা বন্দরে গত ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে আটকে আছে ডায়মন্ড প্রিন্সেস। জাহাজটিতে ৩৫৫ জনেরও বেশি লোকের করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিশ্চিত করা হয়েছে।

চীনের বাইরে একক কোনো জায়গায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের ঘটনা ঘটে শুধুমাত্র এই জাহাজেই।

ডায়মন্ড প্রিন্সেসে প্রায় ৪০০ মার্কিন যাত্রী ছিলেন, এদের মধ্যে অন্তত ৪০ জনের করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঘটে। তবে তাদের চিকিৎসা জাপানেই হবে। জাহাজটিকে প্রায় ৩,৭০০ যাত্রী নিয়ে ইয়োকোহামা বন্দরে কোয়ারেন্টিন করা হয়।

জাহাজের একজন যাত্রী হংকংয়ে নেমে যাওয়ার পর তার করোনাভাইরাস শনাক্ত হলে ডায়মন্ড প্রিন্সেস জাহাজটিকে আটক করা হয়। এরপর থেকে জাহাজের যাত্রীদের মধ্যে প্রবল ভীতি ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দৈনন্দিন জীবনযাপনে সতর্কতা অবলম্বন করা শুরু হয়।

যাত্রীদের নিজ নিজ কেবিনে থাকার পরামর্শ দেয়া হয়। খাবার ঘরে পৌঁছে দেয়া হতে থাকে। যারা ঘরে খাবার নিয়ে যাবে তারা মুখোশ, গ্লাভস, প্লাস্টিকের এ্যাপ্রন ইত্যাদি পরে এ কাজ করেছেন।

জাহাজে ক্রু আছেন ১ হাজার ৪৫ জন। এছাড়া জাহাজের বাইরে ৫০টি অ্যামবুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয় জরুরি ভিত্তিতে রোগী হাসপাতালে পৌঁছানোর জন্য।

জাপানের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজের পরিচালক ডা. অ্যান্থনি ফাউসি বলেছেন, করোনাভাইরাস সংক্রমিত হওয়া মার্কিন নাগরিকদের জাপানে চিকিৎসা করা হবে।

ডা. ফাউসি বলন, ‘তবে বিমানে থাকা কারো মধ্যে যদি আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ বা উপসর্গ দেখা দেয়, তাহলে বিমানের মধ্যেই তাকে আলাদা করে ফেলতে হবে।’

যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর এই যাত্রীদের প্রত্যেককে ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে রাখা হবে। তবে জাহাজে থাকা কিছু যাত্রী মার্কিন সরকারের পাঠানো বিমানে ফেরত যেতে রাজি হননি। তারা ১৯ ফেব্রুয়ারি জাহাজের সবার কোয়ারেন্টিনে থাকা সময়সীমা শেষ হলে একসঙ্গে ফিরতে চান।

এইচআর

 

আন্তর্জাতিক: আরও পড়ুন

আরও