জুম’আর দিন পড়ুন সূরা আল-কাহফ!

ঢাকা, সোমবার, ২৫ জুন ২০১৮ | ১১ আষাঢ় ১৪২৫

জুম’আর দিন পড়ুন সূরা আল-কাহফ!

পরিবর্তন ডেস্ক ৫:৫৬ অপরাহ্ণ, মার্চ ০১, ২০১৮

print
জুম’আর দিন পড়ুন সূরা আল-কাহফ!

কুরআনুল কারীমের প্রতিটি সূরাই স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। তন্মধ্যে সূরা কাহফেরও অনেক বৈশিষ্ট্য আছে। নবীজি প্রতি শুক্রবারে সূরা কাহফ পাঠ করতেন। শুক্রবারে এই সূরা পাঠ করার ইহকালীন ও পরকালীন উপকার রয়েছে।

আবু সাঈদ খুদরী (রা.) হতে বর্ণিত, নবী করীম (সা.) বলেছেন, “নিশ্চয়ই যে ব্যক্তি জুমার দিন সূরা কাহফ তিলাওয়াত করবে, তাকে দুই জুম’আর মধ্যবর্তী সময়টাতে নূর দান করা হবে।” (হাকেম)

আবু সাঈদ খুদরী (রা.) রাসুলুল্লাহ (সা.) থেকে আরও বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি জুম’আ রাতে সূরা কাহফ তিলাওয়াত করবে, তার ও বায়তুল্লাহর মধ্যবর্তী স্থানকে নূর দ্বারা আলোকিত করে দেওয়া হবে।” (বায়হাকী)

আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে আরেক বর্ণনায় এসেছে, “যে ব্যক্তি সূরা কাহফ তিলাওয়াত করবে, যেভাবে নাযিল করা হয়েছে (সেভাবে), কেয়ামতের দিন তার অবস্থানস্থল থেকে মক্কা পর্যন্ত স্থানকে নূর দ্বারা আলোকিত করে তোলা হবে।” (হাকেম)

একই রাবী থেকে আরও এক বর্ণনায় এসেছে, “যে ব্যক্তি জুমাবারে সূরা কাহফ তিলাওয়াত করবে, দাজ্জাল তার নাগাল পেলেও, তার উপর আধিপত্য বিস্তার করতে পারবে না (তার কোনও ক্ষতি করতে পারবে না)।” (বায়হাকী)

সূরা কাহফ কুরআনুল কারীমের অন্যতম ঘটনাবহূল সূরা। এই সূরা তিলাওয়াতের পাশাপাশি অর্থের দিকে খেয়াল করলেও অনেক শিক্ষা অর্জন হয়। প্রতি সপ্তাহে একবার তেলাওয়াত করলে, বছরে বায়ান্নবার। একেকটি বছরে বায়ান্নবার মাথায় ঘুরপাক খাওয়া মানে, নিজের মধ্যে বিরাট সংশোধনী চলে আসা।

এই সূরার বিস্ময়কর দিক হল, কেউ মুখস্থ করতে চাইলে, দ্রুত মুখস্থ হয়। সবার অভিজ্ঞতা এক নাও হতে পারে। চেষ্টা করে, সূরাটা মুখস্থ করে নিতে পারি। সম্ভব হলে দুয়েকবার তরজমা ও তাফসীরও পড়ে নিতে পারি। দুনিয়াতেও লাভ, আখেরাতেও লাভ। দুনিয়াতে শিক্ষা দেবে, দাজ্জাল থেকে বাঁচাবে। আখেরাতে নূর দান করবে।

দাজ্জাল থেকে বাঁচানোর অর্থ শুধু এই নয়, মূল দাজ্জাল থেকে বাঁচাবে। মূল দাজ্জালের পাশাপাশি দাজ্জালের আনুষঙ্গিক ক্ষতি থেকেও বাঁচাবে। ইনশাআল্লাহ।

এফএস/এএসটি

 
.




আলোচিত সংবাদ