বাড়ির ছাদে ঝুলছে কমলা

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | ৮ ফাল্গুন ১৪২৪

বাড়ির ছাদে ঝুলছে কমলা

নওগাঁ প্রতিনিধি ৩:৩০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২০, ২০১৮

print
বাড়ির ছাদে ঝুলছে কমলা

নওগাঁর মহাদেবপুরে বাড়ির ছাদে কমলার বাগান করে সাড়া ফেলেছেন উপজেলার চাঁন্দাশ ডিগ্রী কলেজের জীব বিজ্ঞানের প্রভাষক খন্দকার মো. আব্দুল কুদ্দুস। তিনি গত দুই বছর আগে মহাদেবপুর কৃষি মেলা থেকে দুইটি কমলাসহ গাছটি কিনেছিলেন। গাছটি তার বাসার ছাদে সিমেন্টের তৈরি বড় আকারের টবে দেশিয় প্রক্রিয়ায় রোপণ করে নিয়মিত পরিচর্যা করেন। পরিচর্যার কাজে সহযোগীতা করেন একই কলেজের অর্থনীতির প্রভাষক তার সহধর্মিনী খন্দকার রোজিনা আক্তার বানু।

উপজেলা পরিষদের ২নং গেটের দক্ষিণ পাশে জেলার সর্ববৃহৎ বহমান আত্রাই নদীর বাঁধের রাস্তার উপরে উঠলেই চোখে পড়বে বাড়ির ছাদে আব্দুল কুদ্দুসের শখের বাগান। বাগানের টবে লাগানো কমলা গাছে ঝুলছে সবুজ আর হলদে রঙের বড় বড় অর্ধশতাধিক কমলা। এই শখের বাগানের কমলা দেখতে আসেন প্রতিদিন বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ।

বাড়ির ছাদে এই বাগানে গেলেই আরো দেখা যাবে ছোট-বড় বিভিন্ন প্রকার টবে লাগানো শুধু কমলা নয় মালটা, বিভিন্ন প্রকার লেবু, পেয়ারা, বেদানা, আমরুপালি, পাতাবাহার, ঝাউ, পাইন ঝাউ, ক্রিশমাসট্রি, বনসাই, চায়নাবট, সাইকাস, পাইনাসসহ গোলাপ, জবা, ডালিয়া, রঙ্গন, কসমস, ফনিমনসা, অ্যালোভেরা, ড্রাগন, হাড়জোড়, দুধকুসী, বন ক্যাকটাসসহ প্রায় ৫০ প্রজাতির ক্যাকটাস দেখা যাবে।

বাগানের মালিক চাঁন্দাশ ডিগ্রী কলেজের জীব বিজ্ঞানের প্রভাষক খন্দকার মো. আব্দুল কুদ্দুসের সহধর্মীনি একই কলেজের অর্থনীতির প্রভাষক খন্দকার রোজিনা আক্তার বানু বলেন, আমার স্বামী বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়ার সময় দেখেছেন জীববিজ্ঞান বিভাগের স্যারদের বাসার ছাদে এসব বাগান। সেই থেকে তার স্বপ্ন পূরণে বাড়ির ছাদের উপর তৈরি করি দু’জন মিলে সখের বাগান।

উপজেলা কৃষি অফিসার মফিদুল ইসলাম বলেন, যেভাবে আমাদের আবাদি জমির পরিমাণ কমে যাচ্ছে এক সময় মানুষ শহরের মতো গ্রামের নিজ বাড়ির ফাঁকা ছাদে আব্দুল কুদ্দুসের মতো শখের বাগান তৈরি করতে শুরু করবে। ইতিমধ্যে মফস্বল এলাকার কিছু সচেতন মানুষরা বাড়ির ছাদের ফাঁকা জায়গায় শখের বাগান তৈরি শুরু করেছে। বর্তমানে বাজারের সকল সবজি ও ফলে আশঙ্কাজনক হারে ব্যবহার করা হচ্ছে রাসায়নিক দ্রব্য নামক বিষ। এতে আমরা ব্যাপক হারে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। কিন্তু বাড়ির ছাদসহ বাড়ির আশপাশের পড়ে থাকা ফাঁকা জায়গায় যদি আমরা ছোট ছোট আকারের বাগান তৈরি করি তাহলে সেই বাগান থেকে নিজেদের চাহিদা মতো বিষমুক্ত ফল ও সবজি খেতে পারি।

বিএআর/এসএফ

 
.

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad