৯’শ টিরও বেশি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে বারি

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৭ | ৯ ভাদ্র ১৪২৪

৯’শ টিরও বেশি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে বারি

গাজীপুর প্রতিনিধি ৯:২২ অপরাহ্ণ, জুন ১৩, ২০১৭

print
৯’শ টিরও বেশি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে বারি

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) এ পর্যন্ত ২০৮ টিরও বেশি ফসলের ৫১২টি উচ্চফলনশীল (হাইব্রিডসহ), রোগ প্রতিরোধক্ষম ও বিভিন্ন প্রতিকূল পরিবেশ প্রতিরোধী জাত এবং ৪৮২টি অন্যান্য প্রযুক্তিসহ এযাবৎ ৯শ’টিরও বেশি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে। এ সকল প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ফলে দেশে গম, তেলবীজ, ডালশস্য, আলু, সবজি, মসলা এবং ফলের উৎপাদন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

মঙ্গলবার গাজীপুরের বারি’র কাজী বদরুদ্দোজা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বার্ষিক “অভ্যন্তরীণ গবেষণা পর্যালোচনা ও কর্মসূচি প্রণয়ন কর্মশালা-২০১৭” এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বারি’র মহাপরিচালক ড. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ। কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো. নাসিরুজ্জামান এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ মো. গোলাম মারুফ।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব বলেন, ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ এবং সকলের জন্য খাদ্য ও পুষ্টির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে জাতীয় কৃষি নীতি এবং ৭ম পঞ্চ বার্ষিক পরিকল্পনার আলোকে বিভিন্ন গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।

তিনি ভবিষ্যতে উন্নত কৃষি প্রযুক্তি এবং উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবনের লক্ষ্যে বিজ্ঞানীদের আহ্বান জানান।

তিনি আরো বলেন, বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকারের আন্তরিক উদ্যোগের ফলে বিগত কয়েক বছর যাবত বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে ও ধরে রেখেছে। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা কয়েকটি দেশে ইতোমধ্যে খাদ্য রপ্তানি করতে সক্ষম হয়েছি। বর্তমানে সীমিত পরিসরে আলু, শাক সবজি, ফলসহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে। ইতোমধ্যে আমরা এমডিজি সফলভাবে অর্জন করে এসডিজিতে উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বারি’র গবেষণা কার্যক্রম ও সাফল্যের ওপর সংক্ষিপ্ত উপস্থাপনা করেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক (গবেষণা) ড. মো. লুৎফর রহমান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বারি’র পরিচালক (সেবা ও সরবরাহ) ড. বীরেশ কুমার গোস্বামী এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন বক্তব্য রাখেন বারি’র পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও যোগাযোগ) ড. পরিতোষ কুমার মালাকার।

আয়োজকরা জানান, গত অর্থ বছর যে সকল গবেষণা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছিল সেগুলোর মূল্যায়ন এবং এসব অভিজ্ঞতার আলোকে আগামী বছরের গবেষণা কর্মসূচি প্রণয়নের উদ্দেশ্যে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। এ কর্মশালা চলবে ২৭ জুন পর্যন্ত। উদ্ভাবিত প্রযুক্তির উপযোগিতা যাচাই-বাছাই ও দেশের বর্তমান চাহিদা অনুযায়ী প্রযুক্তি উদ্ভাবনের কর্মসূচি গ্রহণ করাই এ কর্মশালার প্রধান উদ্দেশ্য।

এছাড়া কর্মশালায় অন্যান্যদের মধ্যে বিএআরআইয়ের অবসরপ্রাপ্ত মহাপরিচালকবৃন্দ, পরিচালকবৃন্দ, মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ এবং সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিসহ প্রায় ৫০০ জন বিশেষজ্ঞ বিজ্ঞানী অংশগ্রহণ করেন।

জেএ/জেআই

print
 
nilsagor ad

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad