গর্ভস্থ শিশুর বিকলাঙ্গতা রোধ করবে জিংক সমৃদ্ধ ধান-৭৪

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৭ | ২ কার্তিক ১৪২৪

গর্ভস্থ শিশুর বিকলাঙ্গতা রোধ করবে জিংক সমৃদ্ধ ধান-৭৪

নীলফামারী প্রতিনিধি ৭:৫১ পূর্বাহ্ণ, মে ১৮, ২০১৭

print
গর্ভস্থ শিশুর বিকলাঙ্গতা রোধ করবে জিংক সমৃদ্ধ ধান-৭৪

জিংক সমৃদ্ধ ৭৪ জাতের ধান কর্তন উপলক্ষে ‘কৃষক মাঠ দিবস’ বুধবার বিকেলে নীলফামারী সদর উপজেলার পলাশবাড়ি ইউনিয়নের সরকার পাড়া গ্রামে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আরডিআরএস বাংলাদেশ’র কৃষি ও পরিবেশ বিভাগের সহযোগীতায় মাঠ দিবসের আয়োজন করে পলাশবাড়ি ইউনিয়ন ফেডারেশনের কৃষক ফোরাম। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নীলফামারীর উপ-পরিচালক গোলাম মোহাম্মদ ইদ্রিস।

পলাশবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মমতাজ আলী প্রামানিকের সভাপতিত্বে মাঠ দিবসের আলোচনায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিপ্তরের অতিক্তি উপ-পরিচালক(শষ্য সংরক্ষণ) কেরামত আলী, আরডিআরএস নীলফামারী প্রকল্প অফিসের ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবস্থাপক গোলাম মোস্তফা, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা প্রফুল্ল কুমার রায় বক্তব্য দেন।

এ সময় আরডিআরএস’র স্কুল ফিডিং প্রকল্পের সমন্বয়কারী আনন্দ কুমার পাল, সিনিয়র সামাজিক উন্নয়ন কর্মকর্তা সুমিত্র কুমার রায়, ইউনিয়ন ফেডারেশন সভাপতি কুলছুম বেগম উপস্থিত ছিলেন।

মাঠ দিবসের সভায় প্রধান অতিথি গোলাম মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন, এই জাতের ধানে জিংক নামক উপাদান থাকায় মানবদেহে জিংকের অভাব পূরন করে, রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, মেধার বিকাশ ঘটে এমনকি গর্ভস্থ শিশুর বিকলাঙ্গতা রোধে সহায়তা করে।

তিনি আরো বলেন, জিংক সমৃদ্ধ ৭৪ জাতের ধানে পোকামাকড়ের তেমন আক্রমণ হয় না। আলোচনা সভা শেষে কৃষক নলোনী চন্দ্র রায়ের ১ বিঘা জমিতে লাগানো জিংক সমৃদ্ধ ধান ৭৪ কর্তনের উদ্বোধন করা হয়। নলোনী চন্দ্র রায় জানান, প্রথমবারের মত আমি এই জাতের ধান লাগিয়েছি। এতে বিঘা প্রতি ফলন হয়েছে ২৪ মণ।

তিনি বলেন, আরডিআরএস’র সহযোগীতায় এবং পলাশবাড়ি ইউনিয়ন ফেডারেশনের মাধ্যমে এই এলাকায় ৩০ জন কৃষক ৩০ বিঘা জমিতে জিংক ধান-৭৪ লাগিয়েছেন।

আরডিআরএস সূত্র জানায়, সদর উপজেলায় ৫০ জন কৃষকের মাঝে চলতি বোরো মৌসুমে প্রত্যেককে ৩ কেজি করে বীজ প্রদানসহ চাষাবাদের উপর প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। জিংক ধান-৭৪ উৎপাদনে হারভেস্ট প্লাস আর্থিক ও কারিগরী সহযোগিতা করছে।

এনএ/এএস

print
 

আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad