পাবদা মাছ চাষে সফল শান্তি

ঢাকা, সোমবার, ২১ মে ২০১৮ | ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫

পাবদা মাছ চাষে সফল শান্তি

যশোর ব্যুরো ৮:১৪ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০১৮

print
পাবদা মাছ চাষে সফল শান্তি

পরীক্ষামূলকভাবে দেশিয় প্রজাতির পাবদা মাছ চাষে সফল চমক সৃষ্টি করেছেন যশোরের ঝিকরগাছার আহমেদ ফারুক শান্তি। সাত বিঘা জমির জলাশয়ে পাবদা মাছ উৎপাদনে চলতি মৌসুমে বিক্রি করে পঁচিশ লাখ টাকা লাভবান হবেন বলে আশাবাদী তিনি। প্রায় বিলুপ্ত প্রজাতির মাছের চাহিদাও রয়েছে বাজারে। ফলে চড়া দামে মাছ বিক্রির সুযোগ রয়েছে।

ইতোমধ্যে ১১ লাখ টাকার মাছ বিক্রি করেছেন। পাইকারী বাজার দর ভাল থাকায় সহজেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছবেন বলে মনে করছেন সফল এ চাষী। তার সাফল্যে অনেকেই উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন পাবদা চাষে। প্রথমবারেই চমক দেখানো মৎস্য বিভাগও তাকে উৎসাহিত করেছেন।

ঝিকরগাছার পানিসারা ইউনিয়নের রঘুনাথনগর গ্রামের নিছার আহমেদের ছেলে আহমেদ ফারুক শান্তি জানান, বৃহত্তর যশোর জেলায় মৎস্য চাষ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে চলতি বছর ঝিকরগাছা উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর ৮০ শতক জলাশয়ে পাবদা মাছের একটি প্রদর্শনী দেয়। ২০১৭ সালের জুন মাসে মৎস্য বিভাগের প্রদর্শনীসহ মোট ২৩১ শতক জলাশয়ে পাবদা মাছ চাষ করি।

মোট সাত বিঘা অর্থাৎ ২৩১ শতক জলাশয়ে দুই লাখ পাবদা মাছের রেণু পোনা ছাড়া হয়। তখন মাছের দৈর্ঘ্য ছিলো এক ইঞ্চি। তার রেণু পোনার দাম প্রতি পিস ৩০ পয়সা। বর্তমানে মাছের সাইজ বেড়েছে অনেকগুণ। সেই হিসেবে প্রতি কেজি মাছের পাইকারী মূল্য সাড়ে চার’শ টাকা। ইতোমধ্যে ১১ লাখ টাকার মাছ বিক্রি হয়েছে। চলতি মৌসুমে দাম স্থিতিশীল থাকলে মোট ৩৫ লাখ টাকার মাছ বিক্রি সম্ভব হবে। আর পাবদা মাছ চাষে ১৩ লক্ষাধিক টাকা ব্যয় হয়েছে। পাবদা মাছের পাশাপাশি জলাশয়ে রুই, কাতল, সিলভারকার্প, গ্লাসকার্পসহ সাদা জাতীয় মাছ রয়েছে।

কয়েকদিন আগে মৎস্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আহমেদ ফারুক শান্তির পাবদা মাছের জলাশয় পরিদর্শন করেছেন। পাবদা মাছ চাষের চমক দেখে মুগ্ধ হন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. শেখ শফিকুর রহমান বলেন, বিলুপ্তপ্রায় পাবদা মাছ চাষে শান্তি চমক দেখিয়েছে। তারমত এমন সফল চাষী খুব কম আছে। তাকে আমরা বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছি। তিনি আমাদের সহযোগিতা ও নিজের চেষ্টায় পাবদা মাছ চাষে সফল হয়েছেন। পাবদা মাছ চাষে তিনি অপ্রতিদ্বন্দ্বী এই এলাকায়।

আইআর/এসএফ

 
.




আলোচিত সংবাদ

nilsagor ad