পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে আবরার ফাহাদ
Back to Top

ঢাকা, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২০ | ২০ চৈত্র ১৪২৬

পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে আবরার ফাহাদ

পরিবর্তন প্রতিবেদক ১০:৪১ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ২৫, ২০১৯

পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে আবরার ফাহাদ

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের নিহত ছাত্র আবরার ফাহাদকে নিয়ে বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করেছে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। সপ্তম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার ইংরেজি প্রশ্নপত্রের একটি অংশে তাকে নিয়ে একটি অনুচ্ছেদ লিখে তার আলোকে উত্তর লিখতে বলা হয়েছে শিক্ষার্থীদের।

প্রশ্নপত্রের অনুচ্ছেদটিতে বলা হয়েছে, আবরার ফাহাদ ১৯৯৯ সালে কুষ্টিয়ার রায়ডাঙ্গা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম বরকতুল্লাহ এবং মাতা রোকেয়া খাতুন। তার ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ। তিনি বাবার-মায়ের প্রতি কর্তব্যপরায়ণ ছিলেন। ছাত্র হিসেবেও ছিলেন খুব মেধাবী এবং বুদ্ধিমান। ছয় বছর বয়সে তিনি কুষ্টিয়া মিশন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। তিনি এসএসি ও এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছেন। আবরার তার স্বপ্ন পূরণের জন্য বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ইলেট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ভর্তি হন।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির শেরাবাংলা হলে থাকতেন। ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর তিনি অপ্রত্যাশিতভাবে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।

অনুচ্ছেদে শৈশব থেকেই আবরার ফাহাদ নম্র-ভদ্র ও ধর্মীয় জীবন যাপন করতেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৬ অক্টোবর দিনগত রাত ৮টার দিকে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরারকে শেরে বাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষ থেকে কয়েকজন ডেকে নিয়ে যায়। এরপর রাত দুইটা পর্যন্ত তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে শের-ই বাংলা হলের একতলা ও দুই তলার মাঝখানের সিঁড়ি থেকে আবরারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও দাবির মুখে ১১ অক্টোবর বুয়েট ক্যাম্পাসে সাংগঠনিক ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন উপাচার্য সাইফুল ইসলাম। এ ঘটনায় বুয়েটের ২৬ শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে আরও ছয় শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদ বহিষ্কার করা হয়েছে।

ওএস/জেডএস

 

শিক্ষাঙ্গন: আরও পড়ুন

আরও